Dhaka শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চার জিম্মির মরদেহ ফেরত পেলো ইসরায়েল

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১০:১০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ২৭৭ জন দেখেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

হামাসের হাতে জিম্মি থাকা দুই শিশু, মাসহ চারজনের মরদেহ আজ বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনের গাজা থেকে ইসরায়েলে ফিরেছে। এর আগে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, উপত্যকাটিতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় এ জিম্মিরা নিহত হয়েছেন।

ওই দুই শিশুর নাম কেফির বিবাস ও অ্যারিয়েল বিবাস (৪)। মা শিরি বিবাস। চতুর্থ যে জিম্মির মরদেহ ফেরত দেওয়া হয়েছে, তিনি ওদেদ লিফশিৎজ।

যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে এবং কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় গত মাসে হামাস এবং ইসরায়েলের মধ্যে সই হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় জিম্মি মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। বিপরীতে ইসরায়েলের কারাগারগুলোয় দিনের পর দিন আটক থাকা অনেক ফিলিস্তিনি মুক্তি পাচ্ছেন।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভীষণ কঠিন একটি দিন, বিষণ্ন একটি দিন, শোকের একটি দিন।’

বিবাস পরিবারের সদস্যরা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের কিবুতজ নির ওজ এলাকা থেকে হামাসের হাতে জিম্মি হন। তখন কেফিরের বয়স ছিল মাত্র নয় মাস। জিম্মি করা হয় কেফির ও অ্যারিয়েলের বাবা ইয়ারদেন বিবাসকেও।

গত বছরের নভেম্বরে হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইসরায়েলি বিমান হামলায় জিম্মি ওই মা ও দুই শিশু নিহত হয়েছে। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ কখনোই তাদের নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেনি। এমনকি শেষ মুহূর্তেও ইসরায়েলের কেউ কেউ তাদের মৃত বলে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

এর আগে চলতি মাসে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় গাজা থেকে মুক্তি পেয়েছেন ইয়ারদেন বিবাস। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুই শিশু ও মায়ের ভাগ্যে কী ঘটেছে, সেটি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা শেষ হচ্ছে না।

এখন দুই শিশু ও মাসহ চারজনের মরদেহ ফেরানোর মধ্য দিয়ে গাজা থেকে ইসরায়েলে প্রথমবারের মতো কোনো মৃত জিম্মিকে নেওয়া হলো। এখন মরদেহগুলোর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ইসরায়েলের কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

গাইবান্ধায় নিজ বাসা থেকে শিক্ষিকার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

চার জিম্মির মরদেহ ফেরত পেলো ইসরায়েল

প্রকাশের সময় : ১০:১০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

হামাসের হাতে জিম্মি থাকা দুই শিশু, মাসহ চারজনের মরদেহ আজ বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনের গাজা থেকে ইসরায়েলে ফিরেছে। এর আগে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, উপত্যকাটিতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় এ জিম্মিরা নিহত হয়েছেন।

ওই দুই শিশুর নাম কেফির বিবাস ও অ্যারিয়েল বিবাস (৪)। মা শিরি বিবাস। চতুর্থ যে জিম্মির মরদেহ ফেরত দেওয়া হয়েছে, তিনি ওদেদ লিফশিৎজ।

যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে এবং কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় গত মাসে হামাস এবং ইসরায়েলের মধ্যে সই হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় জিম্মি মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। বিপরীতে ইসরায়েলের কারাগারগুলোয় দিনের পর দিন আটক থাকা অনেক ফিলিস্তিনি মুক্তি পাচ্ছেন।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভীষণ কঠিন একটি দিন, বিষণ্ন একটি দিন, শোকের একটি দিন।’

বিবাস পরিবারের সদস্যরা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের কিবুতজ নির ওজ এলাকা থেকে হামাসের হাতে জিম্মি হন। তখন কেফিরের বয়স ছিল মাত্র নয় মাস। জিম্মি করা হয় কেফির ও অ্যারিয়েলের বাবা ইয়ারদেন বিবাসকেও।

গত বছরের নভেম্বরে হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইসরায়েলি বিমান হামলায় জিম্মি ওই মা ও দুই শিশু নিহত হয়েছে। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ কখনোই তাদের নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেনি। এমনকি শেষ মুহূর্তেও ইসরায়েলের কেউ কেউ তাদের মৃত বলে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

এর আগে চলতি মাসে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় গাজা থেকে মুক্তি পেয়েছেন ইয়ারদেন বিবাস। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুই শিশু ও মায়ের ভাগ্যে কী ঘটেছে, সেটি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা শেষ হচ্ছে না।

এখন দুই শিশু ও মাসহ চারজনের মরদেহ ফেরানোর মধ্য দিয়ে গাজা থেকে ইসরায়েলে প্রথমবারের মতো কোনো মৃত জিম্মিকে নেওয়া হলো। এখন মরদেহগুলোর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ইসরায়েলের কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।