স্পোর্টস ডেস্ক :
ফরচুন বরিশাল ও খুলনা টাইগার্সের মধ্যে একটি দল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্লে-অফে ওঠার সুযোগ ছিল। দিনের প্রথম ম্যাচে বরিশাল জিতে যাওয়ায় সেখানেই স্বপ্নভঙ্গ খুলনার। এরপর সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে তারা কোনো লড়াই–ই দেখাতে পারেনি। কম পুঁজি নিয়ে তারা নাজমুল হোসেন শান্তদের কাজ সহজ করে দিয়েছিল আগেই। নিজেদের শেষ ম্যাচে সিলেটের কাছে খুলনার হার ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে।
সিলেট স্ট্রাইকার্স ও খুলনা টাইগার্সের ম্যাচ দিয়ে শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিপিএলের রাউন্ড রবিন লিগের খেলা শেষ হয়ে গেল। যদিও শেষ ম্যাচটি অনেকটাই নিয়মরক্ষার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছিল। চতুর্থ ও শেষ দল হিসেবে দিনের প্রথম ম্যাচে প্লে-অফে ওঠে বরিশাল। এর আগে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছিল রংপুর রাইডার্স, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।
রান তাড়া করতে নেমে ৬ রানের মাথায় ২ উইকেট হারিয়ে ফেললেও নাজমুল হোসেন শান্ত ও ইয়াসির আলির ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় সিলেট। তৃতীয় উইকেটে দুজনে মিলে গড়েন ৭০ রানের জুটি। ৩৭ বলে ৩৯ রান করে শান্ত বিদায় নেন আরিফ আহমেদের ওভারে।
ইয়াসির হাল ধরে রেখেছিলেন অনেকক্ষণ। জেসন হোল্ডারের ওভারে বিদায় নেওয়ার আগে তিনি করেন ৪৬ রান। তার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ২টি ছয়ের মার। তাকে সঙ্গ দেওয়া মোহাম্মদ মিঠুন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ১৯ রানে। তার সঙ্গে ১২ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন বেনি হাওয়েল।
টস হেরে খুলনাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় সিলেট। আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রান সংগ্রহ করে খুলনা।
খুলনার হয়ে ওপেনিংয়ে শুরুটা ভালো করতে পারেননি এনামুল হক বিজয়। ১০ রানে উইকেট হারান তিনি। আরেক ওপেনার আফিফ হোসেন লড়তে থাকলেও অপরপ্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় খুলনা। ৩১ বলে ফিফটি ছুঁয়ে ৫২ রান করে বিদায় নেন আফিফ। এরপর কিছুক্ষণ লড়াই করেন ওয়েন পারনেল। ১৪ বলে ২১ রান করেন তিনি। বাকিরা কেউই উল্লেখযোগ্য রান নিতে পারেননি।
সিলেটের পক্ষে ৪ ওভারে ১৫ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন বেনি হাওয়েল। দুটি করে উইকেট নেন তানজিম হাসান সাকিব ও শফিকুল ইসলাম।