Dhaka বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খুলনায় শ্রমিক দল নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা

খুলনা জেলা প্রতিনিধি :

খুলনার ডাকবাংলো মোড়ে বাটার দোকানের সামনে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গুলি করে মাসুম বিল্লাহ নামে এক শ্রমিক দল নেতাকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

অস্ত্রধারী ঘাতকদের গুলিতে প্রাণ গেল শ্রমিক দল নেতার। তাকে গুলি করে দৌড়ে পালানোর সময় পুলিশের হাতে অস্ত্রসহ আটক হলেন এক শুটার।

বুধবার (৪ মার্চ) রাত ৯টার দিকে খুলনার ডাকবাংলা মোড়ে অবস্থিত বাটা শো-রুমে ঘটে গেল এমন ঘটনা।

নিহত শ্রমিক দল নেতার নাম মাসুম বিল্লাহ। তিনি রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের মৃত মিনহাজ উদ্দিন মুন্সির ছেলে। মাসুম বিল্লাহ রূপসা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এবং উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ছিলেন। অন্যদিকে আটক শুটারের নাম অশোক (৩৮)।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

বাটার শো-রুমের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানিয়েছেন, রাতে অনেক ক্রেতা শো-রুমে ছিলেন। তারাও ব্যস্ত ছিলেন। এমন সময় বেশ কয়েকজন বাইরে থেকে দৌড়ে শো-রুমের ভেতরে ঢুকেই গুলি চালায় এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে একজনকে জখম করে। এসময় ওই ব্যক্তি শো-রুমের একপাশে পড়ে যায়। এরপর সন্ত্রাসীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, নগরীর ডাকবাংলা মোড়ে সাতজন সন্ত্রাসী মাসুম নামে একজনকে এলোপাতাড়ি কোপায় এবং গুলি করে। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের একজন ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর ঘাতকদের একজনকে আটক করেছে। তার কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করেছি এবং তার সঙ্গে কে কে ছিল সেই তথ্যও পেয়েছি। তাকে নিয়ে আমরা অভিযানে যাবো এবং বাকিদেরও আইনের আওতায় আনব। আটক অশোক বি-কোম্পানির একজন সদস্য বলে জানতে পেরেছি।

এ ব্যাপারে ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর মাহমুদ আলম বলেন, ডাকবাংলা মোড় থেকে লোকজন দৌড়ে আসছিল। শুনেছি গুলি করেছে। এ সময় দেখি যে বাটার শো-রুমের ওদিক থেকে একজন রাস্তার মাঝ দিয়ে যাচ্ছে এবং কোমরে একটি পিস্তল গুজে রাখছে।

তিনি বলেন, এটি দেখে তাকে ধাওয়া করি। স্থানীয় লোকজনকে বলি তাকে ধরেন, আমি পুলিশ। লোকজন তাকে জাপটে ধরে। পরে আরও তিনজন সার্জেন্ট এগিয়ে এলে সবার সহযোগিতায় শুটারকে ধরে নিয়ে আসি।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মহিলা বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বিআরটিসি

খুলনায় শ্রমিক দল নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা

প্রকাশের সময় : ০৫:১৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

খুলনা জেলা প্রতিনিধি :

খুলনার ডাকবাংলো মোড়ে বাটার দোকানের সামনে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গুলি করে মাসুম বিল্লাহ নামে এক শ্রমিক দল নেতাকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

অস্ত্রধারী ঘাতকদের গুলিতে প্রাণ গেল শ্রমিক দল নেতার। তাকে গুলি করে দৌড়ে পালানোর সময় পুলিশের হাতে অস্ত্রসহ আটক হলেন এক শুটার।

বুধবার (৪ মার্চ) রাত ৯টার দিকে খুলনার ডাকবাংলা মোড়ে অবস্থিত বাটা শো-রুমে ঘটে গেল এমন ঘটনা।

নিহত শ্রমিক দল নেতার নাম মাসুম বিল্লাহ। তিনি রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের মৃত মিনহাজ উদ্দিন মুন্সির ছেলে। মাসুম বিল্লাহ রূপসা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এবং উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ছিলেন। অন্যদিকে আটক শুটারের নাম অশোক (৩৮)।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

বাটার শো-রুমের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানিয়েছেন, রাতে অনেক ক্রেতা শো-রুমে ছিলেন। তারাও ব্যস্ত ছিলেন। এমন সময় বেশ কয়েকজন বাইরে থেকে দৌড়ে শো-রুমের ভেতরে ঢুকেই গুলি চালায় এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে একজনকে জখম করে। এসময় ওই ব্যক্তি শো-রুমের একপাশে পড়ে যায়। এরপর সন্ত্রাসীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, নগরীর ডাকবাংলা মোড়ে সাতজন সন্ত্রাসী মাসুম নামে একজনকে এলোপাতাড়ি কোপায় এবং গুলি করে। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের একজন ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর ঘাতকদের একজনকে আটক করেছে। তার কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করেছি এবং তার সঙ্গে কে কে ছিল সেই তথ্যও পেয়েছি। তাকে নিয়ে আমরা অভিযানে যাবো এবং বাকিদেরও আইনের আওতায় আনব। আটক অশোক বি-কোম্পানির একজন সদস্য বলে জানতে পেরেছি।

এ ব্যাপারে ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর মাহমুদ আলম বলেন, ডাকবাংলা মোড় থেকে লোকজন দৌড়ে আসছিল। শুনেছি গুলি করেছে। এ সময় দেখি যে বাটার শো-রুমের ওদিক থেকে একজন রাস্তার মাঝ দিয়ে যাচ্ছে এবং কোমরে একটি পিস্তল গুজে রাখছে।

তিনি বলেন, এটি দেখে তাকে ধাওয়া করি। স্থানীয় লোকজনকে বলি তাকে ধরেন, আমি পুলিশ। লোকজন তাকে জাপটে ধরে। পরে আরও তিনজন সার্জেন্ট এগিয়ে এলে সবার সহযোগিতায় শুটারকে ধরে নিয়ে আসি।