Dhaka রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এমবাপ্পের জোড়া গোলে কোয়ার্টার ফাইনালে পিএসজি

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০১:৫৭:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪
  • ১৮৯ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক : 

রিয়াল মাদ্রিদে পাড়ি জমানোর খবর ছড়িয়ে পড়তেই পিএসজির ম্যাচে আলোচনায় থাকেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তাকে প্রায় ম্যাচেই পুরো নব্বই মিনিট খেলাচ্ছেন না কোচ লুইস এনরিকে। এ নিয়ে স্প্যানিশ কোচকে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে।

এজন্যই হয়তো গত রাতে রিয়াল সোসিয়েদাদের মাঠে তাকে পুরো সময় খেলালেন এনরিকে। তাতে কাজও হলো দারুণ। জোড়া গোল করে পিএসজিকে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে তুললেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। আগের লেগেও জোড়া গোল করেছিলেন তিনি।

প্রথম লেগে ২-০ গোলে জেতায় কোয়ার্টার ফাইনালে এক পা দিয়েই রেখেছিল পিএসজি। আর কাল ফিরতি লেগে ২-১ গোলে জয় পেয়েছে প্যারিসিয়ানরা। দুই লেগ মিলিয়ে জয় ৪-১ ব্যবধানে।

এদিন ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় পিএসজি। বক্সে ফাবিয়ান রুইসের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে এমবাপের ডান পায়ের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। দশম মিনিটে এমবাপের পাসে কাছ থেকে বারকোলার শট ঠেকান সোসিয়েদাদ গোলরক্ষক আলেক্স রেমিরো।

পঞ্চদশ মিনিটে দারুণ গোলে দলকে এগিয়ে নেন এমবাপে। উসমান দেম্বেলের থ্রু বল বক্সের ভেতর বাঁ দিকে নিয়ন্ত্রণে নেন তিনি। এরপর প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের বাধা এড়িয়ে জায়গা বানিয়ে ডান পায়ের শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়ান বিশ্বকাপ জয়ী তারকা।

প্রথম লেগেও দলের প্রথম গোলটি করেছিলেন এমবাপে। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের মধ্যে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে চলতি মৌসুমে ৪০ গোলে সম্পৃক্ত থাকলেন তিনি (৩৩ গোল, ৭ অ্যাসিস্ট)। সংখ্যাটা বাড়তে পারত ২৯তম মিনিটে। ডান দিক থেকে বারকোলার পাসে কাছ থেকে এমবাপের নিচু শট কোনোমতে পা দিয়ে ঠেকান রেমিরো।

আক্রমণে আধিপত্য ধরে রেখে প্রথমার্ধে গোলের জন্য ৬টি শট নিয়ে ৪টি লক্ষ্যে রাখে পিএসজি। এই সময়ে সোসিয়েদাদের ২ শটের একটি লক্ষ্যে ছিল। ৫৬তম মিনিটে গোলের সংখ্যা বাড়িয়ে দলকে শেষ আটের পথে এগিয়ে নেন এমবাপে। মাঝমাঠ থেকে লি কাং-ইনের বাড়ানো বল ধরে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের শটে কাছের পোস্ট দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।

চ্যাম্পিয়নস লিগে এটি এমবাপ্পের ৪৬তম এবং চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৪তম গোল।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৬৯ ম্যাচে এমবাপের গোল হলো ৪৬টি। চলতি মৌসুমে ৬ গোল করে যৌথভাবে সর্বোচ্চ স্কোরার তিনি। ৬৩তম মিনিটে সোসিয়েদাদের আন্দের বারেনেক্সিয়া হেডে পিএসজির জালে বল পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোল মেলেনি। ৭৯তম মিনিটে বেনাত তুরিয়েন্তের প্রচেষ্টা দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক জানলুইজি দোন্নারুম্মা।

নির্ধারিত সময় শেষের এক মিনিট বাকি থাকতে সান্ত্বনাসূচক গোলটি পায় সোসিয়েদাদ। ডান দিকের বাইলাইনের কাছাকাছি থেকে একজনের শট দোন্নারুম্মা ঠেকানোর পর ছয় গজ বক্সের মুখ থেকে লক্ষ্যভেদ করেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মেরিনো।

আগামী ১৫ মার্চ আসরের শেষ আটের ড্র অনুষ্ঠিত হবে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

আ.লীগ আমলেও এমন হামলা হয়নি, এর দায় সরকারকে নিতে হবে : উপদেষ্টা আসিফ

এমবাপ্পের জোড়া গোলে কোয়ার্টার ফাইনালে পিএসজি

প্রকাশের সময় : ০১:৫৭:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪

স্পোর্টস ডেস্ক : 

রিয়াল মাদ্রিদে পাড়ি জমানোর খবর ছড়িয়ে পড়তেই পিএসজির ম্যাচে আলোচনায় থাকেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তাকে প্রায় ম্যাচেই পুরো নব্বই মিনিট খেলাচ্ছেন না কোচ লুইস এনরিকে। এ নিয়ে স্প্যানিশ কোচকে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে।

এজন্যই হয়তো গত রাতে রিয়াল সোসিয়েদাদের মাঠে তাকে পুরো সময় খেলালেন এনরিকে। তাতে কাজও হলো দারুণ। জোড়া গোল করে পিএসজিকে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে তুললেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। আগের লেগেও জোড়া গোল করেছিলেন তিনি।

প্রথম লেগে ২-০ গোলে জেতায় কোয়ার্টার ফাইনালে এক পা দিয়েই রেখেছিল পিএসজি। আর কাল ফিরতি লেগে ২-১ গোলে জয় পেয়েছে প্যারিসিয়ানরা। দুই লেগ মিলিয়ে জয় ৪-১ ব্যবধানে।

এদিন ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় পিএসজি। বক্সে ফাবিয়ান রুইসের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে এমবাপের ডান পায়ের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। দশম মিনিটে এমবাপের পাসে কাছ থেকে বারকোলার শট ঠেকান সোসিয়েদাদ গোলরক্ষক আলেক্স রেমিরো।

পঞ্চদশ মিনিটে দারুণ গোলে দলকে এগিয়ে নেন এমবাপে। উসমান দেম্বেলের থ্রু বল বক্সের ভেতর বাঁ দিকে নিয়ন্ত্রণে নেন তিনি। এরপর প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের বাধা এড়িয়ে জায়গা বানিয়ে ডান পায়ের শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়ান বিশ্বকাপ জয়ী তারকা।

প্রথম লেগেও দলের প্রথম গোলটি করেছিলেন এমবাপে। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের মধ্যে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে চলতি মৌসুমে ৪০ গোলে সম্পৃক্ত থাকলেন তিনি (৩৩ গোল, ৭ অ্যাসিস্ট)। সংখ্যাটা বাড়তে পারত ২৯তম মিনিটে। ডান দিক থেকে বারকোলার পাসে কাছ থেকে এমবাপের নিচু শট কোনোমতে পা দিয়ে ঠেকান রেমিরো।

আক্রমণে আধিপত্য ধরে রেখে প্রথমার্ধে গোলের জন্য ৬টি শট নিয়ে ৪টি লক্ষ্যে রাখে পিএসজি। এই সময়ে সোসিয়েদাদের ২ শটের একটি লক্ষ্যে ছিল। ৫৬তম মিনিটে গোলের সংখ্যা বাড়িয়ে দলকে শেষ আটের পথে এগিয়ে নেন এমবাপে। মাঝমাঠ থেকে লি কাং-ইনের বাড়ানো বল ধরে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের শটে কাছের পোস্ট দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।

চ্যাম্পিয়নস লিগে এটি এমবাপ্পের ৪৬তম এবং চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৪তম গোল।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৬৯ ম্যাচে এমবাপের গোল হলো ৪৬টি। চলতি মৌসুমে ৬ গোল করে যৌথভাবে সর্বোচ্চ স্কোরার তিনি। ৬৩তম মিনিটে সোসিয়েদাদের আন্দের বারেনেক্সিয়া হেডে পিএসজির জালে বল পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোল মেলেনি। ৭৯তম মিনিটে বেনাত তুরিয়েন্তের প্রচেষ্টা দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক জানলুইজি দোন্নারুম্মা।

নির্ধারিত সময় শেষের এক মিনিট বাকি থাকতে সান্ত্বনাসূচক গোলটি পায় সোসিয়েদাদ। ডান দিকের বাইলাইনের কাছাকাছি থেকে একজনের শট দোন্নারুম্মা ঠেকানোর পর ছয় গজ বক্সের মুখ থেকে লক্ষ্যভেদ করেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মেরিনো।

আগামী ১৫ মার্চ আসরের শেষ আটের ড্র অনুষ্ঠিত হবে।