Dhaka শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন

যশোর জেলা প্রতিনিধি :

যশোর-নড়াইল মহাসড়কের ফতেহপুরে চলন্ত অবস্থায় একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন ধরেছে। তবে এতে বাসটির সব যাত্রী নিরাপদে নামতে পেরেছেন। হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে দেখা যায়, বাসটিতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে।

বাসের যাত্রী সুব্রত ঘোষ জানান, তিনি ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশে ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ বাসে ওঠেন। বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি থাকায় ওই বাস নিয়ে ঢাকায় যেতে অপারগতা জানালেও নড়াইল এক্সপ্রেস কর্তৃপক্ষ ট্রিপে যেতে বাধ্য করে। এছাড়া গাড়িতে অতিরিক্ত যাত্রী নেয় তারা। কিছুদূর আসার পর বাসে আগুন লেগে যায়। আমরা কোনো রকমে প্রাণে বেঁচেছি।

আলাউদ্দিন নামে বাসের আরেক যাত্রী জানান, তিনি গাড়ি থেকে নামতে পারলেও তার ল্যাপটপ ও ব্যাগ গাড়িতেই থেকে যায়। ব্যাগের ভেতরে নগদ টাকাও ছিল। সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

পুলিশ জানায়, যশোরের মনিহার থেকে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে নড়াইল এক্সপ্রেসের ওই বাসটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ১০ কিলোমিটার দূরের ফতেপুর এলাকায় পৌঁছালে বাসটির ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়। এরপর বাসটিতে বিকট শব্দ হয়ে বন্ধ হয়ে গেলে যাত্রীরা নিরাপদে বের হয়ে যান। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

যশোর কোতয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল ইসলাম বলেন, যশোর থেকে বাসটি ছাড়ার আগে ড্রাইভার বাসটির ত্রুটির কথা জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষকে। তা সত্ত্বেও মালিকদের জোরাজুরিতে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে। এ ঘটনায় কোনো বেআইনি পদক্ষেপের বিষয়ে প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আবহাওয়া

জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতের তথ্য দিলেই পুরস্কার

এবার যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন

প্রকাশের সময় : ০৭:২৮:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

যশোর জেলা প্রতিনিধি :

যশোর-নড়াইল মহাসড়কের ফতেহপুরে চলন্ত অবস্থায় একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন ধরেছে। তবে এতে বাসটির সব যাত্রী নিরাপদে নামতে পেরেছেন। হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে দেখা যায়, বাসটিতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে।

বাসের যাত্রী সুব্রত ঘোষ জানান, তিনি ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশে ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ বাসে ওঠেন। বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি থাকায় ওই বাস নিয়ে ঢাকায় যেতে অপারগতা জানালেও নড়াইল এক্সপ্রেস কর্তৃপক্ষ ট্রিপে যেতে বাধ্য করে। এছাড়া গাড়িতে অতিরিক্ত যাত্রী নেয় তারা। কিছুদূর আসার পর বাসে আগুন লেগে যায়। আমরা কোনো রকমে প্রাণে বেঁচেছি।

আলাউদ্দিন নামে বাসের আরেক যাত্রী জানান, তিনি গাড়ি থেকে নামতে পারলেও তার ল্যাপটপ ও ব্যাগ গাড়িতেই থেকে যায়। ব্যাগের ভেতরে নগদ টাকাও ছিল। সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

পুলিশ জানায়, যশোরের মনিহার থেকে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে নড়াইল এক্সপ্রেসের ওই বাসটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ১০ কিলোমিটার দূরের ফতেপুর এলাকায় পৌঁছালে বাসটির ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়। এরপর বাসটিতে বিকট শব্দ হয়ে বন্ধ হয়ে গেলে যাত্রীরা নিরাপদে বের হয়ে যান। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

যশোর কোতয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল ইসলাম বলেন, যশোর থেকে বাসটি ছাড়ার আগে ড্রাইভার বাসটির ত্রুটির কথা জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষকে। তা সত্ত্বেও মালিকদের জোরাজুরিতে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে। এ ঘটনায় কোনো বেআইনি পদক্ষেপের বিষয়ে প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।