Dhaka রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এই সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না : বিডা চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজকে ডিপি ওয়ার্ল্ড থেকে একটি চিঠি পেয়েছি। চিঠিতে তারা ড্রাফট কনসেশন এগ্রিমেন্ট রিভিউ করার জন্য কিছু সময় চেয়েছে। তিনি বলেন, যেহেতু ওনারা আমাদের কাছে কিছু সময় চেয়েছে, তাহলে মোস্ট পসিবলি আমাদের হাতে আর দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। ওনারা যেহেতু সময় চেয়েছেন, আমি আমি ধরে নিচ্ছি, যেটা প্রবাবিলিটি আছে—এটা এই সরকার আমল পার হয়ে, ইলেকশন পার হয়ে সামনে গিয়ে হয়তো নেগোসিয়েশনটাকে কনটিনিউ করবে।

আশিক চৌধুরী বলেন, ওনাদের (ডিপি ওয়ার্ল্ড) কাছ থেকে আজকে সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে চিঠি এসেছে। এখানে ওনারা যেটা বলেছেন, ওনারা এপ্রিশিয়েট করেছেন যে আমাদের সঙ্গে যে নেগোসিয়েশন চলছে—সেটার প্রগ্রেস নিয়ে ওনারা খুশি হয়েছেন। ওনারা আশা করছেন, এটা ভবিষ্যতে গ্রো করবে এবং ভবিষ্যতে একটা রাইট ডিরেকশনে যাবে। তো এই নেগোসিয়েশন অ্যাপ্রিশিয়েট করার পর ওনারা যে মেসেজটা আমাদের দিয়েছে, সেটা হচ্ছে— ড্রাফট কনসেশন এগ্রিমেন্ট, যেটা তাদের সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছে, ওনারা আমাদের কাছে বেসিক্যালি কিছু সময় চেয়েছেন, এটাকে রিভিউ করার জন্য।

তিনি বলেন, এই প্রজেক্টটা তো ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল, গত এক মাসে আমাদের ফাইনাল যে নেগোসিয়েশন, সেই ধাপটা শুরু হয়েছিল, সেই ধাপটা খুব ইন্টেন্সভাবে চলছে। সরকারের বিভিন্ন লেভেলে ওনাদের বিভিন্ন লেভেলের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। নেগোসিয়েশনটা চলমান থাকতে এটা হয়তো সম্পন্ন করতে আরও কিছু সময় লাগবে। আমাদের নৌপরিবহন উপদেষ্টা হয়তো একই কথা বলেছেন আজকে দুপুরবেলা।

এক প্রশ্নের জবাবে বিডা চেয়ারম্যান বলেন, এই সরকারের আমলে সাইন হচ্ছে না। আমার মনে হয় এটা ফেয়ার অ্যামাউন্ট অব সার্টেনটি নিয়ে বলা যায়। কারণ আর দুটি কার্যদিবস আছে। এই দুই কার্যদিবসের মধ্যে ওনারা ফেরত আসবেন, তারপরে আমরা আমাদের ক্যাবিনেটে নিয়ে গিয়ে এটাকে অ্যাপ্রুভ করিয়ে তারপরে সাইন করবো। এটা আমাদের নিজেদের কিছু প্রসেস স্টেপ আছে। যদি হঠাৎ করে ফেরত চলেও আসেন, আমার ধারণা প্রসেসগুলো কমপ্লিট করা খুব ডিফিকাল্ট হবে। আর চুক্তি করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনও তারিখ নির্ধারিত ছিল না। অনেক কনফিউশন এবং অনেক ধরনের ভুল তথ্য এলে এ ব্যাপারে আছে। সেটা হচ্ছে, এটা একটা বাইল্যাটারাল নেগোসিয়েশন। দ্বিপাক্ষিক নেগোসিয়েশনটা ক্লাসিক টেন্ডারিং প্রসেসের মতো না। সুতরাং, এই দ্বিপাক্ষিক নেগোসিয়েশনটা কতদিন ধরে চলবে? এক্সাক্টলি এবং কখন গিয়ে দুই পক্ষ আসলে এগ্রি করবে, একটা কনসেশন এগ্রিমেন্টে। এটা কারও পক্ষে বলা খুব কঠিন। এখানে তো চাপে পড়ে কেউ কিছু সাইন করতে আসছে না যে আমাদের হাতে আর একদিন সময় আছে, আমাদের আজকেই করতে হবে। আমাদের জাতীয় স্বার্থটাকে উপেক্ষা করে করবো—এ রকম কোনও কথা কখনও কারও চিন্তা করার কারণ নেই। ১ তারিখে সাইন করার যে ডেটটা ছিল, এটা একটা গুজব। আমরা কখনোই অফিসিয়ালি মনে হয় বলিনি—যখন নেগোসিয়েশন কমপ্লিট হবে, তখন আপনি একটা সাইনিং ডেট ঘোষণা করতে পারবেন। নেগোসিয়েশন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সাইনিং ডেট ঘোষণা করার আসলে কোনও লজিক নেই।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

এই সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না : বিডা চেয়ারম্যান

প্রকাশের সময় : ০৬:৫১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজকে ডিপি ওয়ার্ল্ড থেকে একটি চিঠি পেয়েছি। চিঠিতে তারা ড্রাফট কনসেশন এগ্রিমেন্ট রিভিউ করার জন্য কিছু সময় চেয়েছে। তিনি বলেন, যেহেতু ওনারা আমাদের কাছে কিছু সময় চেয়েছে, তাহলে মোস্ট পসিবলি আমাদের হাতে আর দুটি কার্যদিবস বাকি আছে। ওনারা যেহেতু সময় চেয়েছেন, আমি আমি ধরে নিচ্ছি, যেটা প্রবাবিলিটি আছে—এটা এই সরকার আমল পার হয়ে, ইলেকশন পার হয়ে সামনে গিয়ে হয়তো নেগোসিয়েশনটাকে কনটিনিউ করবে।

আশিক চৌধুরী বলেন, ওনাদের (ডিপি ওয়ার্ল্ড) কাছ থেকে আজকে সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে চিঠি এসেছে। এখানে ওনারা যেটা বলেছেন, ওনারা এপ্রিশিয়েট করেছেন যে আমাদের সঙ্গে যে নেগোসিয়েশন চলছে—সেটার প্রগ্রেস নিয়ে ওনারা খুশি হয়েছেন। ওনারা আশা করছেন, এটা ভবিষ্যতে গ্রো করবে এবং ভবিষ্যতে একটা রাইট ডিরেকশনে যাবে। তো এই নেগোসিয়েশন অ্যাপ্রিশিয়েট করার পর ওনারা যে মেসেজটা আমাদের দিয়েছে, সেটা হচ্ছে— ড্রাফট কনসেশন এগ্রিমেন্ট, যেটা তাদের সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছে, ওনারা আমাদের কাছে বেসিক্যালি কিছু সময় চেয়েছেন, এটাকে রিভিউ করার জন্য।

তিনি বলেন, এই প্রজেক্টটা তো ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল, গত এক মাসে আমাদের ফাইনাল যে নেগোসিয়েশন, সেই ধাপটা শুরু হয়েছিল, সেই ধাপটা খুব ইন্টেন্সভাবে চলছে। সরকারের বিভিন্ন লেভেলে ওনাদের বিভিন্ন লেভেলের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। নেগোসিয়েশনটা চলমান থাকতে এটা হয়তো সম্পন্ন করতে আরও কিছু সময় লাগবে। আমাদের নৌপরিবহন উপদেষ্টা হয়তো একই কথা বলেছেন আজকে দুপুরবেলা।

এক প্রশ্নের জবাবে বিডা চেয়ারম্যান বলেন, এই সরকারের আমলে সাইন হচ্ছে না। আমার মনে হয় এটা ফেয়ার অ্যামাউন্ট অব সার্টেনটি নিয়ে বলা যায়। কারণ আর দুটি কার্যদিবস আছে। এই দুই কার্যদিবসের মধ্যে ওনারা ফেরত আসবেন, তারপরে আমরা আমাদের ক্যাবিনেটে নিয়ে গিয়ে এটাকে অ্যাপ্রুভ করিয়ে তারপরে সাইন করবো। এটা আমাদের নিজেদের কিছু প্রসেস স্টেপ আছে। যদি হঠাৎ করে ফেরত চলেও আসেন, আমার ধারণা প্রসেসগুলো কমপ্লিট করা খুব ডিফিকাল্ট হবে। আর চুক্তি করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনও তারিখ নির্ধারিত ছিল না। অনেক কনফিউশন এবং অনেক ধরনের ভুল তথ্য এলে এ ব্যাপারে আছে। সেটা হচ্ছে, এটা একটা বাইল্যাটারাল নেগোসিয়েশন। দ্বিপাক্ষিক নেগোসিয়েশনটা ক্লাসিক টেন্ডারিং প্রসেসের মতো না। সুতরাং, এই দ্বিপাক্ষিক নেগোসিয়েশনটা কতদিন ধরে চলবে? এক্সাক্টলি এবং কখন গিয়ে দুই পক্ষ আসলে এগ্রি করবে, একটা কনসেশন এগ্রিমেন্টে। এটা কারও পক্ষে বলা খুব কঠিন। এখানে তো চাপে পড়ে কেউ কিছু সাইন করতে আসছে না যে আমাদের হাতে আর একদিন সময় আছে, আমাদের আজকেই করতে হবে। আমাদের জাতীয় স্বার্থটাকে উপেক্ষা করে করবো—এ রকম কোনও কথা কখনও কারও চিন্তা করার কারণ নেই। ১ তারিখে সাইন করার যে ডেটটা ছিল, এটা একটা গুজব। আমরা কখনোই অফিসিয়ালি মনে হয় বলিনি—যখন নেগোসিয়েশন কমপ্লিট হবে, তখন আপনি একটা সাইনিং ডেট ঘোষণা করতে পারবেন। নেগোসিয়েশন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সাইনিং ডেট ঘোষণা করার আসলে কোনও লজিক নেই।