Dhaka শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উন্নয়ন ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে ধানের শীষের কোনো বিকল্প নেই : তানভীর আহমেদ রবিন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ঢাকা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন বলেন, উন্নয়ন ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে ধানের শীষের কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে বিএনপি নিরবচ্ছিন্নভাবে দেশের জন্য কাজ করে আসছে এবং প্রতিটি সংকটকালে সম্মুখ সারিতে থেকে ভূমিকা রেখেছে। দেশ ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বীরদর্পে অবতীর্ণ হয়েছে সম্মুখ সারিতে। তাই এদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে আবারও ধানের শীষকে নির্বাচিত করতে হবে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর ঢাকা-৪ আসনের কদমতলী থানাধীন ৬০ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারণাকালে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দেশ ও জনগণের স্বার্থে বিএনপির ভূমিকা তুলে ধরে রবিন বলেন, দেশ যখনই নানা সংকটের পূর্ব মুহূর্তে দাঁড়িয়ে ঠিক তখনই বার বার দেশের হাল ধরেছে বিএনপি। আমরা একটু লক্ষ্য করলেই দেখবো শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তখন দেশ একেবারেই অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর ছিল। সেখান থেকে তিনি একটি বাড়ি একটি খামার, খাল খনন করে দুই ফসলসহ অসংখ্য পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে দেশকে করেছিলেন সমৃদ্ধ।

তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সময়ও দেশ নানা সংকটে ছিল। বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও কৃষকদলসহ রাজনৈতিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তিনি অর্থনীতিকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে আসেন। সেই ধারাবাহিকতায় ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হয়।

ঢাকা-৪ আসনে বিএনপির অবদানের কথা তুলে ধরে রবিন বলেন, ‘এই এলাকার মানুষ বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির অবদান আজীবন মনে রাখবে। জনগণের ভালোবাসায় নির্বাচিত তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদের পর আর কাউকে এলাকাবাসীর কথা ভাবতে দেখা যায়নি।’

রবিন বলেন, ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করার পর সালাউদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধানে এলাকায় নয়টি স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়, যেখানে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করছে। সে সময় এলাকায় কোনো হাসপাতাল ছিল না। পরে বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে মা ও শিশু হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়। এছাড়া এলাকার রাস্তাঘাট ও ধর্মীয় উপাসনালয়সহ যেসব উন্নয়ন হয়েছে, তার শতভাগই বিএনপি সরকারের সময়ে বাস্তবায়িত।

আগামীর ঢাকা-৪ হবে সুখি সমৃদ্ধ এবং সম্ভাবনাময়ী এমন মন্তব্য করে রবিন বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের শাসনামলে এই এলাকার মানুষের জন্য কোনো কাজ করা হয়নি। যারাই এলাকার দায়িত্ব নিয়েছে তারা সবাই নিজের স্বার্থকে বড় করে দেখেছে। কেননা তারা কেউই এই এলাকার সন্তান ছিল না। আসন্ন নির্বাচনে আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করে সংসদে কথা বলার সুযোগ করে দেন। আমি কথা দিচ্ছি দিন-রাত পরিশ্রম করব আমার এলাকার মানুষের জন্য। আমি আমার বাবার সূচনা করা উন্নয়নের অগ্রসর করে ঢাকা-৪ কে রাজধানীর মধ্যে একটি রোল মডেল করবো ইনশাআল্লাহ।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

রিয়ালের সামনে আবারো বেনফিকা, চ্যাম্পিয়নস লিগের প্লে-অফে কে কার মুখোমুখি

উন্নয়ন ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে ধানের শীষের কোনো বিকল্প নেই : তানভীর আহমেদ রবিন

প্রকাশের সময় : ১০:০৭:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ঢাকা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন বলেন, উন্নয়ন ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে ধানের শীষের কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে বিএনপি নিরবচ্ছিন্নভাবে দেশের জন্য কাজ করে আসছে এবং প্রতিটি সংকটকালে সম্মুখ সারিতে থেকে ভূমিকা রেখেছে। দেশ ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বীরদর্পে অবতীর্ণ হয়েছে সম্মুখ সারিতে। তাই এদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে আবারও ধানের শীষকে নির্বাচিত করতে হবে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর ঢাকা-৪ আসনের কদমতলী থানাধীন ৬০ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারণাকালে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দেশ ও জনগণের স্বার্থে বিএনপির ভূমিকা তুলে ধরে রবিন বলেন, দেশ যখনই নানা সংকটের পূর্ব মুহূর্তে দাঁড়িয়ে ঠিক তখনই বার বার দেশের হাল ধরেছে বিএনপি। আমরা একটু লক্ষ্য করলেই দেখবো শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তখন দেশ একেবারেই অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর ছিল। সেখান থেকে তিনি একটি বাড়ি একটি খামার, খাল খনন করে দুই ফসলসহ অসংখ্য পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে দেশকে করেছিলেন সমৃদ্ধ।

তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার সময়ও দেশ নানা সংকটে ছিল। বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও কৃষকদলসহ রাজনৈতিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তিনি অর্থনীতিকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে আসেন। সেই ধারাবাহিকতায় ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হয়।

ঢাকা-৪ আসনে বিএনপির অবদানের কথা তুলে ধরে রবিন বলেন, ‘এই এলাকার মানুষ বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির অবদান আজীবন মনে রাখবে। জনগণের ভালোবাসায় নির্বাচিত তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদের পর আর কাউকে এলাকাবাসীর কথা ভাবতে দেখা যায়নি।’

রবিন বলেন, ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করার পর সালাউদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধানে এলাকায় নয়টি স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়, যেখানে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করছে। সে সময় এলাকায় কোনো হাসপাতাল ছিল না। পরে বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে মা ও শিশু হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়। এছাড়া এলাকার রাস্তাঘাট ও ধর্মীয় উপাসনালয়সহ যেসব উন্নয়ন হয়েছে, তার শতভাগই বিএনপি সরকারের সময়ে বাস্তবায়িত।

আগামীর ঢাকা-৪ হবে সুখি সমৃদ্ধ এবং সম্ভাবনাময়ী এমন মন্তব্য করে রবিন বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের শাসনামলে এই এলাকার মানুষের জন্য কোনো কাজ করা হয়নি। যারাই এলাকার দায়িত্ব নিয়েছে তারা সবাই নিজের স্বার্থকে বড় করে দেখেছে। কেননা তারা কেউই এই এলাকার সন্তান ছিল না। আসন্ন নির্বাচনে আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করে সংসদে কথা বলার সুযোগ করে দেন। আমি কথা দিচ্ছি দিন-রাত পরিশ্রম করব আমার এলাকার মানুষের জন্য। আমি আমার বাবার সূচনা করা উন্নয়নের অগ্রসর করে ঢাকা-৪ কে রাজধানীর মধ্যে একটি রোল মডেল করবো ইনশাআল্লাহ।