Dhaka মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কি না সিদ্ধান্ত সংসদে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৬:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৭ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কিনা-সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ছয় সিটি করপোরেশনের নতুন নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকরা যোগ দিতে এলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কি দলীয় প্রতীকে হবে, নাকি হবে না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইট উইল বি ডিসাইডেড ইন দ্য পার্লামেন্ট (সে সিদ্ধান্ত সংসদে হবে)। আর এখানে (সিটি করপোরেশনগুলোতে) যেহেতু সরকারি কর্মকর্তারা দায়িত্বশীল ছিলেন, আমরা মনে করছি যে এখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা থাকলে জনগণের সেবা বেশি পাবে এবং ভালোভাবে পাবে। এটা আমাদের বিশ্বাস আর কী। সেই কারণেই আমরা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের এই প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছি। এতে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়বে।

আপনার পরামর্শ কি? স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হিসেবে, অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়া দরকার কি না- এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, না, আমার ব্যক্তিগত মতামতের কোনো সুযোগ নেই এখানে। এখানে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত আছে, সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করবো।

দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত কি আগামী ১২ মার্চ যে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে, সেখানে হবে- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অবশ্যই।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, যেসব স্থানীয় সরকারগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেগুলো থেকেই নির্বাচন শুরু হবে। ঢাকার আগে হওয়ার সম্ভাবনা আছে দুটোতে। আর কয়েকটা আছে যে, যাদের মেয়াদ মেয়াদ শেষ হয়েছে তাদেরটা আগে হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করে কতদিনের ভেতর শেষ করার পরিকল্পনা- এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই তো এভাবে, এখনই বলা যাবে না। এটা তো আমরা যখন দেখবো একেক করে বাই ফেজ, এটা তো চলমান প্রক্রিয়া। লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশনও কিন্তু একটা চলমান প্রক্রিয়া। কারও মেয়াদ শেষ হয় আবার নির্বাচন হয়। ইউনিয়ন পরিষদেও তাই হয়, উপজেলাতেও তাই হয়। সুতরাং ইট ইজ আ কন্টিনিউয়াস প্রসেস।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় সরকারি কর্মকর্তার চেয়ে রাজনৈতিক প্রশাসকরা সিটি করপোরেশনে ভালো কাজ করতে পারবে। তাই অকার্যকর স্থানীয় সরকারকে সচল করার জন্য সিটি করপোরেশনে রাজনৈতিক প্রশাসক বসানো হয়েছে।

মশা নিধন, যানজট, রাস্তাঘাট মেরামতসহ জনদুর্ভোগ এড়াতে কাজ করার অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন ছয় প্রশাসক। তারা জানান, জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই তাদের অঙ্গীকার। দ্রুত কাজ করার জন্য ৬০ দিনের কর্মসূচি নেবেন নতুন প্রশাসকরা।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ দেশের ছয় সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এই নিয়োগ দিয়ে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তবে এবার আমলাদের পরিবর্তে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন মো. আব্দুস সালাম। অন্যদিকে, মো. শফিকুল ইসলাম খান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হয়েছেন।

এছাড়া নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনা সিটি করপোরেশন, আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট সিটি করপোরেশন, মো. সাখাওয়াত হোসেন খান নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এবং মো. শওকত হোসেন সরকার গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের দফতর পুনরায় বণ্টন

দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কি না সিদ্ধান্ত সংসদে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০২:৩৬:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে কিনা-সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ছয় সিটি করপোরেশনের নতুন নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকরা যোগ দিতে এলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কি দলীয় প্রতীকে হবে, নাকি হবে না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইট উইল বি ডিসাইডেড ইন দ্য পার্লামেন্ট (সে সিদ্ধান্ত সংসদে হবে)। আর এখানে (সিটি করপোরেশনগুলোতে) যেহেতু সরকারি কর্মকর্তারা দায়িত্বশীল ছিলেন, আমরা মনে করছি যে এখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা থাকলে জনগণের সেবা বেশি পাবে এবং ভালোভাবে পাবে। এটা আমাদের বিশ্বাস আর কী। সেই কারণেই আমরা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের এই প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছি। এতে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়বে।

আপনার পরামর্শ কি? স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হিসেবে, অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়া দরকার কি না- এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, না, আমার ব্যক্তিগত মতামতের কোনো সুযোগ নেই এখানে। এখানে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত আছে, সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করবো।

দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত কি আগামী ১২ মার্চ যে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে, সেখানে হবে- এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অবশ্যই।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, যেসব স্থানীয় সরকারগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেগুলো থেকেই নির্বাচন শুরু হবে। ঢাকার আগে হওয়ার সম্ভাবনা আছে দুটোতে। আর কয়েকটা আছে যে, যাদের মেয়াদ মেয়াদ শেষ হয়েছে তাদেরটা আগে হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করে কতদিনের ভেতর শেষ করার পরিকল্পনা- এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই তো এভাবে, এখনই বলা যাবে না। এটা তো আমরা যখন দেখবো একেক করে বাই ফেজ, এটা তো চলমান প্রক্রিয়া। লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশনও কিন্তু একটা চলমান প্রক্রিয়া। কারও মেয়াদ শেষ হয় আবার নির্বাচন হয়। ইউনিয়ন পরিষদেও তাই হয়, উপজেলাতেও তাই হয়। সুতরাং ইট ইজ আ কন্টিনিউয়াস প্রসেস।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় সরকারি কর্মকর্তার চেয়ে রাজনৈতিক প্রশাসকরা সিটি করপোরেশনে ভালো কাজ করতে পারবে। তাই অকার্যকর স্থানীয় সরকারকে সচল করার জন্য সিটি করপোরেশনে রাজনৈতিক প্রশাসক বসানো হয়েছে।

মশা নিধন, যানজট, রাস্তাঘাট মেরামতসহ জনদুর্ভোগ এড়াতে কাজ করার অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন ছয় প্রশাসক। তারা জানান, জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই তাদের অঙ্গীকার। দ্রুত কাজ করার জন্য ৬০ দিনের কর্মসূচি নেবেন নতুন প্রশাসকরা।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ দেশের ছয় সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এই নিয়োগ দিয়ে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তবে এবার আমলাদের পরিবর্তে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন মো. আব্দুস সালাম। অন্যদিকে, মো. শফিকুল ইসলাম খান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হয়েছেন।

এছাড়া নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনা সিটি করপোরেশন, আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট সিটি করপোরেশন, মো. সাখাওয়াত হোসেন খান নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এবং মো. শওকত হোসেন সরকার গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন।