Dhaka শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঈদে নৌপথে ভোগান্তি কমাতে লঞ্চ প্রস্তুত করছে মালিক-শ্রমিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। নৌপথে ঘরমুখো মানুষের ঈদ যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছেন মালিক-শ্রমিকরা। ধুয়ে মুছে রং তুলির আঁচড়ে রাঙানো হচ্ছে প্রতিটি লঞ্চ। যাত্রী ভোগান্তি দূর করতে এবারই প্রথম সদরঘাটের পাশাপাশি লঞ্চ ছাড়বে বছিলা ও শিমুলিয়া ঘাট থেকে। এতে স্বচ্ছন্দে মানুষ নৌপথে ঢাকা ছাড়তে পারবেন বলে আশা কর্তৃপক্ষের।

টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, রং তুলির আঁচড়ে নতুনভাবে সাজছে যাত্রীবাহী লঞ্চ। ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে কর্মব্যস্ত সময় পার করছে লঞ্চ সংশ্লিষ্টরা।

ঈদ যাত্রায় দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের অন্যতম পছন্দের বাহন লঞ্চ। সড়ক পথের তুলনায় লঞ্চে যানজট ও ভোগান্তি কম থাকায়, এ পথে চাপও থাকে বেশি। যাত্রী প্রত্যাশা মাথায় রেখে তাই লঞ্চগুলোও ধুয়ে মুছে নতুনরূপ দিচ্ছেন শ্রমিকরা।

নৌপথের এই যাত্রা অন্যান্যবারের চেয়ে আরও গতিময় করে তুলতে এবার নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানায়, যাত্রীচাপ নিয়ন্ত্রণে সদরঘাটের পাশাপাশি এবার লঞ্চ ভিড়বে বছিলা ব্রিজঘাট এবং কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন শিমুলিয়া ট্যুরিস্টঘাটেও। বছিলা থেকে চলবে ৬টি আর শিমুলিয়া থেকে ২টি লঞ্চ চালানোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলছেন কর্মকর্তারা।

বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম-পরিচালক মুহম্মদ মোবারক হোসেন বলেন, সদরঘাটে চাপ কমানোর জন্যই ওই দুটি ঘাট তৈরি করা হয়েছে। এ দুটি ঘাট থেকে আমরা দিনের বেলা লঞ্চ চালাবো।

লঞ্চমালিকরা বলছেন, এবারের ঈদে লম্বা ছুটিতে মানুষের ঢল নামবে নৌপথে। তাই সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।

১৭ মার্চ থেকে নৌপথে শুরু হবে ঈদযাত্রা; সদরঘাট থেকে ৩৩টি রুটে লঞ্চ চলাচল করলেও, ঈদের মৌসুমে আরও পাঁচটি নতুন রুট যোগ হয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ঈদে নৌপথে ভোগান্তি কমাতে লঞ্চ প্রস্তুত করছে মালিক-শ্রমিকরা

প্রকাশের সময় : ০৩:০০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ। নৌপথে ঘরমুখো মানুষের ঈদ যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছেন মালিক-শ্রমিকরা। ধুয়ে মুছে রং তুলির আঁচড়ে রাঙানো হচ্ছে প্রতিটি লঞ্চ। যাত্রী ভোগান্তি দূর করতে এবারই প্রথম সদরঘাটের পাশাপাশি লঞ্চ ছাড়বে বছিলা ও শিমুলিয়া ঘাট থেকে। এতে স্বচ্ছন্দে মানুষ নৌপথে ঢাকা ছাড়তে পারবেন বলে আশা কর্তৃপক্ষের।

টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, রং তুলির আঁচড়ে নতুনভাবে সাজছে যাত্রীবাহী লঞ্চ। ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে কর্মব্যস্ত সময় পার করছে লঞ্চ সংশ্লিষ্টরা।

ঈদ যাত্রায় দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের অন্যতম পছন্দের বাহন লঞ্চ। সড়ক পথের তুলনায় লঞ্চে যানজট ও ভোগান্তি কম থাকায়, এ পথে চাপও থাকে বেশি। যাত্রী প্রত্যাশা মাথায় রেখে তাই লঞ্চগুলোও ধুয়ে মুছে নতুনরূপ দিচ্ছেন শ্রমিকরা।

নৌপথের এই যাত্রা অন্যান্যবারের চেয়ে আরও গতিময় করে তুলতে এবার নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানায়, যাত্রীচাপ নিয়ন্ত্রণে সদরঘাটের পাশাপাশি এবার লঞ্চ ভিড়বে বছিলা ব্রিজঘাট এবং কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন শিমুলিয়া ট্যুরিস্টঘাটেও। বছিলা থেকে চলবে ৬টি আর শিমুলিয়া থেকে ২টি লঞ্চ চালানোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলছেন কর্মকর্তারা।

বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম-পরিচালক মুহম্মদ মোবারক হোসেন বলেন, সদরঘাটে চাপ কমানোর জন্যই ওই দুটি ঘাট তৈরি করা হয়েছে। এ দুটি ঘাট থেকে আমরা দিনের বেলা লঞ্চ চালাবো।

লঞ্চমালিকরা বলছেন, এবারের ঈদে লম্বা ছুটিতে মানুষের ঢল নামবে নৌপথে। তাই সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।

১৭ মার্চ থেকে নৌপথে শুরু হবে ঈদযাত্রা; সদরঘাট থেকে ৩৩টি রুটে লঞ্চ চলাচল করলেও, ঈদের মৌসুমে আরও পাঁচটি নতুন রুট যোগ হয়েছে।