নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নির্বিঘ্ন নৌযাত্রা নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। যাত্রীচাপ কমাতে রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের পাশাপাশি বিকল্প ঘাট থেকে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী আরিফ বিল্লাহ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এবারের ঈদযাত্রায় ঢাকা নদীবন্দরে অতিরিক্ত চাপ কমাতে বছিলা ব্রিজ সংলগ্ন লঞ্চঘাট এবং কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে বিশেষ লঞ্চ চলাচল করবে।
আগামী ১৭ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত বছিলা লঞ্চঘাট থেকে ৬টি এবং শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে ৩টি লঞ্চ বিভিন্ন নৌপথে যাত্রী পরিবহন করবে।
বছিলা লঞ্চঘাট থেকে সকাল ৭টায় বছিলা–সদরঘাট–হাকিমুদ্দিন রুটে এমভি টিপু, সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে বছিলা–সদরঘাট–শরীয়তপুর রুটে এমভি ইমাম হাসান-৫ এবং সকাল ১১টায় বছিলা–সদরঘাট–চাঁদপুর রুটে এমভি ঈগল-৪ লঞ্চ ছেড়ে যাবে।
দুপুর ১২টায় বছিলা–সদরঘাট–ইলিশা রুটে এমভি টিপু-৬, দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে বছিলা–সদরঘাট–গলাচিপা রুটে এমভি বোগদাদীয়া-১২ ও এমভি শরীয়তপুর-৩ এবং বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে বছিলা–সদরঘাট–ইলিশা রুটে এমভি ইয়াদ-১ লঞ্চ চলাচল করবে।
অন্যদিকে শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে সকাল ৮টায় শিমুলিয়া–চাঁদপুর রুটে এমভি সমতা এন্ড সমৃদ্ধি এক্সপ্রেস, সকাল ৯টায় শিমুলিয়া–চাঁদপুর রুটে এমভি সমতা সমৃদ্ধি-১ এবং সকাল ৮টায় শিমুলিয়া–বরিশাল রুটে এমভি রাজারহাট বি লঞ্চ চলাচল করবে। একই লঞ্চ সন্ধ্যা ৭টায় বরিশাল থেকে শিমুলিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ঈদযাত্রায় যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে সদরঘাট এলাকায় প্রবীণ ও নারী যাত্রীদের মালামাল বহনে আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ১২ দিন টার্মিনাল থেকে লঞ্চ পর্যন্ত বিনামূল্যে কুলি বা পোর্টার সেবা দেওয়া হবে। একই সময়ে অসুস্থ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য সদরঘাট ও বরিশাল নদীবন্দরে হুইলচেয়ার সেবার ব্যবস্থাও থাকবে।
বিআইডব্লিউটিএ আশা করছে, এসব উদ্যোগের ফলে এবারের ঈদযাত্রা আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। এজন্য যাত্রীদের সার্বিক সহযোগিতাও কামনা করেছে সংস্থাটি।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















