Dhaka মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসির বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে তারেক ও জাইমার ভোটার হওয়ার নথি : ইসি সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক :

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমানের ভোটার হওয়ার নথি উপস্থাপন করা হবে।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘গুলশান এলাকার নির্ধারিত ওয়ার্ডে ভোটার নিবন্ধনের সব আনুষ্ঠানিকতা এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে তফসিল ঘোষণার পর নতুন করে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। সে কারণে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিনিয়র সচিব বলেন, ভোটার নিবন্ধনের অংশ হিসেবে ফরম পূরণ, ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ ও স্বাক্ষর) গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ভোটার তালিকা আইন ২০০৯-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার রয়েছে যেকোনো যোগ্য ও প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার। সে বিবেচনায় তাদের নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

আখতার আহমেদ বলেন, ‘নিবন্ধন সম্পন্ন হলেও তফসিল ঘোষণার পর নতুন করে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। সে কারণে তারেক রহমান ও জাইমা রহমানের ভোটার হওয়ার নথি রোববার (২৮ ডিসেম্বর) কমিশনে উপস্থাপন করা হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তারেক রহমানের এনআইডি নম্বর পাওয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নিবন্ধন প্রক্রিয়া আজ সম্পন্ন হলেও তথ্য আপলোড করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, সিগনেচার, ফেস ও আইরিশ মিলিয়ে যাচাই করতে কিছুটা সময় লাগে। যাচাই শেষে নিশ্চিত হলে তাদের এনআইডি নম্বর দেওয়া হবে। আশা করছি, আজকের মধ্যেই এটি সম্পন্ন হবে।”

ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ইসির সিদ্ধান্ত কবে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, “নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া। তবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল কমিশনে উপস্থাপন করা হবে।”

তিনি আরও জানান, কমিশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দুটি উপায়ে—একটি আনুষ্ঠানিক সভার মাধ্যমে, অন্যটি নথির মাধ্যমে। কমিশন চাইলে সভা করতে পারে বা নথির মাধ্যমেও বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পারে। এটি কমিশনের এখতিয়ার।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠিতে যা লিখলেন মোদি

ইসির বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে তারেক ও জাইমার ভোটার হওয়ার নথি : ইসি সচিব

প্রকাশের সময় : ০৪:৩১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমানের ভোটার হওয়ার নথি উপস্থাপন করা হবে।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘গুলশান এলাকার নির্ধারিত ওয়ার্ডে ভোটার নিবন্ধনের সব আনুষ্ঠানিকতা এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে তফসিল ঘোষণার পর নতুন করে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। সে কারণে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিনিয়র সচিব বলেন, ভোটার নিবন্ধনের অংশ হিসেবে ফরম পূরণ, ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ ও স্বাক্ষর) গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ভোটার তালিকা আইন ২০০৯-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার রয়েছে যেকোনো যোগ্য ও প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার। সে বিবেচনায় তাদের নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

আখতার আহমেদ বলেন, ‘নিবন্ধন সম্পন্ন হলেও তফসিল ঘোষণার পর নতুন করে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। সে কারণে তারেক রহমান ও জাইমা রহমানের ভোটার হওয়ার নথি রোববার (২৮ ডিসেম্বর) কমিশনে উপস্থাপন করা হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তারেক রহমানের এনআইডি নম্বর পাওয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নিবন্ধন প্রক্রিয়া আজ সম্পন্ন হলেও তথ্য আপলোড করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, সিগনেচার, ফেস ও আইরিশ মিলিয়ে যাচাই করতে কিছুটা সময় লাগে। যাচাই শেষে নিশ্চিত হলে তাদের এনআইডি নম্বর দেওয়া হবে। আশা করছি, আজকের মধ্যেই এটি সম্পন্ন হবে।”

ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ইসির সিদ্ধান্ত কবে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, “নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া। তবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল কমিশনে উপস্থাপন করা হবে।”

তিনি আরও জানান, কমিশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দুটি উপায়ে—একটি আনুষ্ঠানিক সভার মাধ্যমে, অন্যটি নথির মাধ্যমে। কমিশন চাইলে সভা করতে পারে বা নথির মাধ্যমেও বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পারে। এটি কমিশনের এখতিয়ার।