Dhaka সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানে আতশবাজি উৎসবে বিস্ফোরণে নিহত ১৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ইরানের বিভিন্ন স্থানে দুই সপ্তাহ ধরে চলা ঐতিহ্যবাহী আতশবাজি উৎসবে বিস্ফোরণের ঘটনায় ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন ৪ হাজার ৭০০ জনের বেশি মানুষ।

বুধবার (১৩ মার্চ) দেশটির গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, ইরানের বিভিন্ন স্থানে চলা এ উৎসবে হতাহতের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাজধানী তেহরান, পূর্ব ও পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশগুলো হতাহতের সংখ্যা বেশি ঘটেছে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০ মার্চ ইরানে অনুষ্ঠিত হবে নওরোজ উৎসব। উৎসব উদ্যাপনের সময় ইরানিরা আতশবাজি জ্বালায়। পারস্য রীতি অনুযায়ী আগুন নিয়ে বিভিন্ন ধরণের খেলাও দেখানো হয়। প্রতি বছরই এই উৎসবে ইরানজুড়ে বহু মানুষ হতাহত হন। তবে গতবারের তুলনায় এবারের আয়োজনে হতাহতের সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ফারসি ভাষায় ‘চাহারশানবে সুরি’ নামের ওই আতশবাজি উৎসব প্রত্যেক বছর ইরানি ক্যালেন্ডার বর্ষের শেষ মঙ্গলবার রাতে পালন করা হয়। যা এই বছর আগামী ২০ মার্চ শেষ হবে।

উৎসব চলাকালীন অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের শুদ্ধ করতে এবং অশুভ আত্মা তাড়ানোর জন্য কয়লার আগুনে ঝাঁপিয়ে ‘আমি তোমাকে আমার হলুদ রঙ (রোগ নির্দেশক রঙ) দিই’ এবং ‘আমি তোমার লাল রঙ (জীবনের প্রতীক) ধারণ করি’ স্লোগান দেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

নাহিদ ইসলাম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ইসির শোকজ

ইরানে আতশবাজি উৎসবে বিস্ফোরণে নিহত ১৫

প্রকাশের সময় : ০৯:৩৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ইরানের বিভিন্ন স্থানে দুই সপ্তাহ ধরে চলা ঐতিহ্যবাহী আতশবাজি উৎসবে বিস্ফোরণের ঘটনায় ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন ৪ হাজার ৭০০ জনের বেশি মানুষ।

বুধবার (১৩ মার্চ) দেশটির গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, ইরানের বিভিন্ন স্থানে চলা এ উৎসবে হতাহতের ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাজধানী তেহরান, পূর্ব ও পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশগুলো হতাহতের সংখ্যা বেশি ঘটেছে বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০ মার্চ ইরানে অনুষ্ঠিত হবে নওরোজ উৎসব। উৎসব উদ্যাপনের সময় ইরানিরা আতশবাজি জ্বালায়। পারস্য রীতি অনুযায়ী আগুন নিয়ে বিভিন্ন ধরণের খেলাও দেখানো হয়। প্রতি বছরই এই উৎসবে ইরানজুড়ে বহু মানুষ হতাহত হন। তবে গতবারের তুলনায় এবারের আয়োজনে হতাহতের সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ফারসি ভাষায় ‘চাহারশানবে সুরি’ নামের ওই আতশবাজি উৎসব প্রত্যেক বছর ইরানি ক্যালেন্ডার বর্ষের শেষ মঙ্গলবার রাতে পালন করা হয়। যা এই বছর আগামী ২০ মার্চ শেষ হবে।

উৎসব চলাকালীন অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের শুদ্ধ করতে এবং অশুভ আত্মা তাড়ানোর জন্য কয়লার আগুনে ঝাঁপিয়ে ‘আমি তোমাকে আমার হলুদ রঙ (রোগ নির্দেশক রঙ) দিই’ এবং ‘আমি তোমার লাল রঙ (জীবনের প্রতীক) ধারণ করি’ স্লোগান দেন।