ইরানের সামগ্রিক আকাশসীমা জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ইরানে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে যৌথভাবে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এই হামলাকে ইসরায়েল ‘আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা’ (প্রি-এম্পটিভ অ্যাটাক) বলেছে।
ইরাকের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরাকের প্রতিবেশী ইরানে ইসরাইল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর তারা দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, ইরাকের উত্তরাঞ্চলের এরবিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
এদিকে ইরানে হামলার পর আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইলও। সব ধরনের বেসামরিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত জনসাধারণকে বিমানবন্দরে না আসার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। বিদেশে থাকা যাত্রীদের আকাশসীমা পুনরায় চালু হওয়ার পরে ফ্লাইটের সময়সূচি সম্পর্কে মিডিয়া এবং তাদের বিমান সংস্থার মাধ্যমে আপডেট থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, বিদেশে থাকা ইসরাইলিদের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের নির্দেশাবলী এবং সুপারিশ অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
‘নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনুকূল হলে, আকাশসীমা পুনরায় চালু করা হবে এবং ইসরাইলে আসা এবং যাওয়ার ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হবে। নতুন ফ্লাইটের বিষয়ে ২৪ ঘণ্টা আগে নোটিশ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
ইরানের সিভিল অ্যাভিয়েশন অরগানাইজেশনের মুখপাত্র মজিদ আকহাভান মেহের জানান, পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে আপাতত দেশের ওপর দিয়ে সব ধরনের ফ্লাইট চলাচল স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ এই অভিযানের কথা নিশ্চিত করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে আগাম হামলা চালানো হয়েছে। সম্পূর্ণ দেশজুড়ে তাৎক্ষণিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। এই হামলার পরপরই সম্ভাব্য পাল্টা আক্রমণের আশঙ্কায় পুরো ইসরায়েল জুড়ে রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন স্থানে সাইরেন বাজতে শুরু করেছে। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী সাধারণ মানুষকে বোমা আশ্রয়কেন্দ্রের কাছে থাকার জন্য সতর্ক করছে।
প্রতিনিধির নাম 
























