স্পোর্টস ডেস্ক :
প্রথমার্ধে পেনাল্টি পেয়েও মিস করলেন ইলকাই গুন্দোয়ান। দ্বিতীয়ার্ধে বার্সেলোনার বেশ কয়েকটি প্রচেষ্টা প্রতিহত হয়ে গেলো মায়োর্কার রক্ষণে। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট হারানোর শঙ্কায় পড়েছিল জাভি হার্নান্দেজের দল।
১৬ বছরের লামিন ইয়ামাল বাঁচিয়ে দিলেন স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নদের। শুক্রবার রাতে ঘরের মাঠে মায়োর্কার বিপক্ষে ইয়ামালের একমাত্র গোলে ১-০ গোলের কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে বার্সা।
এস্তাদি অলিম্পিক লুইস কোম্পানিস স্টেডিয়ামে দাপট দেখিয়েই খেলেছে বার্সা। ২২তম মিনিটে রাফিনহা বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়লে তাকে ফেলে দেন মায়োর্কা ডিফেন্ডার মানুয়েল কোপেতে।
শুরুতে গোল কিক দিয়েছিলেন রেফারি, পরে ভিএআরের সাহায্য নিয়ে মনিটরে রিপ্লে দেখে স্পট কিকের বাঁশি বাজান। পেনাল্টি শট নেন গুন্দোয়ান। কিন্তু তার শটে খুব একটা জোর ছিল না, বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে সহজেই সেটা ফিরিয়ে দেন মায়োর্কা গোলরক্ষক। ফিরতি বলে শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি ইয়ামাল।
২৯তম মিনিটে রাফিনহা ও জোয়াও কানসেলোর দুটি শট প্রতিহত হয় মায়োর্কার ডি-বক্সে। ছয় মিনিট পর কাইল লারিনের হেড অনায়াসে ফিরিয়ে দেন বার্সেলোনা গোলরক্ষক মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেন। পাল্টা আক্রমণে ডি-বক্সের বাইরে থেকে ফেলিক্সের শট বেরিয়ে যায় পোস্ট ঘেঁষে।
প্রথমার্ধের হতাশা কাটিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বার্সা। ৫৭তম মিনিটে গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিলেন ইয়ামাল। কিন্তু তার বুলেট গতির শট দুর্ভাগ্যজনকভাবে আটকে যায় ক্রসবারে।
৬২তম মিনিটে লেভানদোভস্কি ও ভিতর রোক মাঠে নামলে আক্রমণ আরও বাড়াতে থাকে বার্সা। এর সুফলও পায় তারা। ৭৩তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে বল পেয়ে পায়ের কারিকুরিতে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে বুলেট গতির শটে জাল খুঁজে নেন ইয়ামাল। তার গোলেই শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সা।
ম্যাচ শেষে ইয়ামাল বলেছেন, দলের জয় এবং গোলের জন্য আমি খুবই আনন্দিত। আমি সুযোগ দেখতে পাচ্ছিলাম। তাই সেখান থেকে শট নিয়েছি। ম্যাচটা কঠিন ছিল, আমি সব সময় দলকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছি। ঘরের মাঠে দর্শকদের সামনে গোল করতে পারা আমার জন্য স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতোই।
এই জয়ে ২৮ ম্যাচে বার্সেলোনার অর্জন এখন ৬১ পয়েন্ট। জাভির শিষ্যদের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলে দুই পয়েন্ট পিছিয়ে তিনে নেমে গেছে চলতি মৌসুমের চমক জিরোনা। ২৭ ম্যাচে ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে রিয়াল মাদ্রিদ। চারে থাকা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের সংগ্রহ ৫৫ পয়েন্ট। ৫০ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে থাকল অ্যাথলেটিক বিলবাও।