Dhaka বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমরা ভিক্ষা নিয়ে বাঁচতে চাই না, আমরা কাজ করে বাঁচতে চাই : মির্জা ফখরুল

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি : 

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা ভিক্ষা নিয়ে বাঁচতে চাই না, আমরা কাজ করে বাঁচতে চাই। ঠাকুরগাঁওয়ে অনেক উন্নয়ন করতে হবে। আমাদের মা-বোন ও যুবকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে শিক্ষিত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালান্দর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনে সততা পালিয়ে গেছে। আমরা চেষ্টা করছি সততা ধরে রাখতে। আপনার ভোট বড় আমানত। সেটা আমাকে দেবেন। কারণ আমি আপনাদের চেনা লোক।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের ছেলেগুলো শুধু পড়াশোনা করে এমএ-বিএ পাশ করতে চায়, কিন্তু পাশ করে চাকরি মিলেনা। প্রশিক্ষণ নিয়ে বাইরের দেশে গিয়ে ভালো আয় করা সম্ভব। ছাত্রদের ওইদিকে মনযোগী করতে হবে। সঠিক পথে যেতে হবে। এতে আমাদের উন্নতি হবে।

তিনি বলেন, ১৫ বছর এসব কথা আমরা বলতে পারি নাই। আমাদের শুধু পিটিয়েছে আর মামলা দিয়েছে। এখন আমরা কাজ করতে চায়। আপনারা সংগঠন গড়ে তুলবেন। সংগঠনের মাধ্যমে আমরা কাজ করতে চাই। সবজি রাখার জন্য কোল্ড স্টোরেজ করা হবে। নারীদের কুটির শিল্পে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ঠাকুরগাঁও আমার জন্মস্থান। আমার বাবা, আমি ও আমার ছোট ভাই পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলাম। আওয়ামী লীগের আমলে ছোট ভাই চেয়ারম্যান থাকা সত্বেও তাকে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয় নাই। আমরা কাজ করতে পারি নাই। সরকার চলে যাওয়ায় পর আমরা শহরের রাস্তার কাজগুলো নিয়ে এসেছি। আপনারা অতীতে ভোট দিয়েছেন এবারও দেবেন। আমরা রাজনীতি করে ব্যবসা করি না। বাপের জমিজমা বিক্রি করে রাজনীতি করি। বাপের জমিজমা যা ছিল অর্ধেক শেষ। এটাই আমার শেষ নির্বাচন, আপনারা আমাকে সুযোগ করে দেবেন।

বিএনপির মহাসচিব অতীতের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে আপনারা মা-বোনেরা ডিম, মুরগি ও সবজি বিক্রি করে জমানো টাকা দিয়ে মালা বানিয়ে আমাকে দিয়েছিলেন। সেই ভালোবাসার ঋণ আমি ভুলিনি। আপনাদের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। বিগত নির্বাচনগুলোতে আমি কথা বলতে পারতাম না, শুধু কেঁদেছি। এবার একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে এই সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমি আপনাদের পরিচিত মানুষ। ১৯৮৬ সাল থেকে আপনারা আমাকে চেনেন। তখন আমি পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলাম। আজ পর্যন্ত কেউ আঙুল তুলে বলতে পারবে না যে, আমি আপনাদের আমানতের খেয়ানত করেছি।

এসময় দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ঝিনাইদহে জমি নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০

আমরা ভিক্ষা নিয়ে বাঁচতে চাই না, আমরা কাজ করে বাঁচতে চাই : মির্জা ফখরুল

প্রকাশের সময় : ০১:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি : 

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা ভিক্ষা নিয়ে বাঁচতে চাই না, আমরা কাজ করে বাঁচতে চাই। ঠাকুরগাঁওয়ে অনেক উন্নয়ন করতে হবে। আমাদের মা-বোন ও যুবকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে শিক্ষিত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালান্দর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনে সততা পালিয়ে গেছে। আমরা চেষ্টা করছি সততা ধরে রাখতে। আপনার ভোট বড় আমানত। সেটা আমাকে দেবেন। কারণ আমি আপনাদের চেনা লোক।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের ছেলেগুলো শুধু পড়াশোনা করে এমএ-বিএ পাশ করতে চায়, কিন্তু পাশ করে চাকরি মিলেনা। প্রশিক্ষণ নিয়ে বাইরের দেশে গিয়ে ভালো আয় করা সম্ভব। ছাত্রদের ওইদিকে মনযোগী করতে হবে। সঠিক পথে যেতে হবে। এতে আমাদের উন্নতি হবে।

তিনি বলেন, ১৫ বছর এসব কথা আমরা বলতে পারি নাই। আমাদের শুধু পিটিয়েছে আর মামলা দিয়েছে। এখন আমরা কাজ করতে চায়। আপনারা সংগঠন গড়ে তুলবেন। সংগঠনের মাধ্যমে আমরা কাজ করতে চাই। সবজি রাখার জন্য কোল্ড স্টোরেজ করা হবে। নারীদের কুটির শিল্পে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ঠাকুরগাঁও আমার জন্মস্থান। আমার বাবা, আমি ও আমার ছোট ভাই পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলাম। আওয়ামী লীগের আমলে ছোট ভাই চেয়ারম্যান থাকা সত্বেও তাকে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয় নাই। আমরা কাজ করতে পারি নাই। সরকার চলে যাওয়ায় পর আমরা শহরের রাস্তার কাজগুলো নিয়ে এসেছি। আপনারা অতীতে ভোট দিয়েছেন এবারও দেবেন। আমরা রাজনীতি করে ব্যবসা করি না। বাপের জমিজমা বিক্রি করে রাজনীতি করি। বাপের জমিজমা যা ছিল অর্ধেক শেষ। এটাই আমার শেষ নির্বাচন, আপনারা আমাকে সুযোগ করে দেবেন।

বিএনপির মহাসচিব অতীতের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে আপনারা মা-বোনেরা ডিম, মুরগি ও সবজি বিক্রি করে জমানো টাকা দিয়ে মালা বানিয়ে আমাকে দিয়েছিলেন। সেই ভালোবাসার ঋণ আমি ভুলিনি। আপনাদের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। বিগত নির্বাচনগুলোতে আমি কথা বলতে পারতাম না, শুধু কেঁদেছি। এবার একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে এই সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমি আপনাদের পরিচিত মানুষ। ১৯৮৬ সাল থেকে আপনারা আমাকে চেনেন। তখন আমি পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলাম। আজ পর্যন্ত কেউ আঙুল তুলে বলতে পারবে না যে, আমি আপনাদের আমানতের খেয়ানত করেছি।

এসময় দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।