নিজস্ব প্রতিবেদক :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে অভিনন্দন জানিয়ে বিরোধী দলের নেতা জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, আজকের সংসদ জুলাইয়ের রক্তের ওপর দাঁড়ানো সংসদ।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় স্পিকারের কাছে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারি ও বিরোধী দল আলাদা হবে না। বিরোধী দলের নেতা স্পিকারের কাছে সুবিচার পাবেন বলে প্রত্যাশা জানান।
স্পিকারকে উদ্দেশ করে জামায়াত আমির বলেন, আপনি একজন লড়াকু মুক্তিযোদ্ধা। আপনি পারবেন।
শফিকুর রহমান বলেন, আজকের এই সংসদ চব্বিশের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সংসদ। এই দেশের সংসদ ও সংসদীয় রাজনীতি খুব কম সময় কার্যকর ছিল। বেশিরভাগ সময়ে এই সংসদ ছিল ডামি সংসদ। এইখানে যারা অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের অনেকেই সুবিচার করতে পারেনি। আপনি এরইমধ্যে বিএনপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। এখন আপনি সকলের। আমরা মনে করি, আপনার কাছে সরকারি দল ও বিরোধী দল আলাদা কিছু হবে না।
তিনি বলেন, অতীতে সংসদে দেশের মানুষের কল্যাণের বিষয় নিয়ে আলোচনা কম হলেও ব্যক্তিগত আক্রমণ ও চরিত্রহননের জন্য অনেক সময় ব্যয় হয়েছে। নতুন সংসদে সেই মন্দ নজির আর না ঘটুক এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
স্পিকারকে উদ্দেশ করে জামায়াত আমির বলেন, আপনার কাছে সরকারি দল ও বিরোধী দল আলাদা কিছু হবে না-এমনটাই আমরা আশা করি। আপনার কাছে সুবিচার পাব। জাতির কল্যাণে আমরা যে কথাগুলো বলতে চাই, তা বলার সুযোগ পাব। আপনার নেতৃত্বে এটি একটি গতিশীল সংসদ হবে আমরা এটা আশা করতে চাই। আমরা আশা করতে চাই অতীতে যে মন্দ নজির সৃষ্টি হয়েছিল বিভিন্ন সময়ে এটি নতুন করে আর হবে না। আজকের এই সংসদে অনেক নতুন তরুণ সদস্য এসেছেন। বয়সে একটু বেশি হলেও আমিও তরুণ্। আমার জীবনে এটা প্রথম সংসদ। সুতরাং আমিও তরুণদের একজন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অতীতের সংসদগুলোতে দেশের মানুষের কল্যাণের বিষয় নিয়ে আলোচনা কম হয়েছে। বরং অনেক সময় ব্যয় হয়েছে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও চরিত্রহননে।
স্পিকারকে অনুরোধ করে বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, এই সংসদ যেন আর কারও চরিত্রহননের কেন্দ্রে পরিণত না হয়। আপনার কাছ থেকে এ ব্যাপারে কেউ যেন সামান্যতম সুযোগও না পায়।
বক্তব্যের শেষে স্পিকারের কাছে আবারো ন্যায়বিচার চেয়ে জামায়াত আমির বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময় অসংখ্য মানুষ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, অনেকে জীবন দিয়েছেন, গুমের শিকার হয়েছে। জুলাইয়ে একটা স্লোগান ছিল ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, আমি এখনও সেই স্লোগান দিতে চাই ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























