Dhaka সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের প্রস্তাবের আইনগত ভিত্তি পর্যালোচনা করা হচ্ছে : তথ্য উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) সম্প্রচার বাংলাদেশে বন্ধ রাখার প্রস্তাবের আইনগত ভিত্তি পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। প্রক্রিয়া যাচাই-বাছাই করার পরে একটি পদক্ষেপ নেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (০৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ মতবিনিময়’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

সচিবালয় বিট কাভার করা সাংবাদিকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম’ (বিএসআরএফ) এ মতবিনিময়ের আয়োজন করেছে। বিএসআরএফের সভাপতি মাসউদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।

আইপিএল থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আইন উপদেষ্টা আইপিএলের সম্প্রচার বাংলাদেশে বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘বিষয়টা হচ্ছে যে—খেলাটা যদি খেলার জায়গায় আমরা রাখতে পারতাম খুবই ভালো হতো। কিন্তু আনফরচুনেটলি (দুর্ভাগ্যবশত) খেলাটার মধ্যে রাজনীতি নিয়ে আসা হয়েছে।’

তিনি বলেন, অন্যান্য সময় আমরা কী বলি? দুইটা দেশের মধ্যে যদি রাজনৈতিক টেনশন থাকেও—যে কোনো দুটি দেশ, আমি বাংলাদেশ-ভারত, বাংলাদেশ-নেপাল এরকম বলছি না, ভারত-নেপাল, ভারত-মালদ্বীপ—এটা বলছি না, বলছি দুইটা দেশের মধ্যে যদি রাজনৈতিক টেনশন থাকেও—বলে যে সাংস্কৃতিক এক্সচেঞ্জ, খেলাধুলা, এগুলোর মাধ্যমে এটা কমিয়ে আনা যায়। এখানে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো কাজটা (মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া) করা হয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশের একজন খেলোয়াড়কে নিশ্চিত করার পরে, তাকে রাজনৈতিক যুক্তিতে…যেটা আমরা পত্র-পত্রিকায় দেখেছি, বলা হচ্ছে যে, ওকে নেওয়া হবে না। তো এরকম সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে আমাদের দেশের জনগণেরও তো মনে একটা আঘাত লাগে। তাদের মধ্যেও একটা প্রতিক্রিয়া হয়।

সৈয়দা রিজওয়ান হাসান বলেন, ‘সেরকম জায়গায় আমাদেরও একটা অবস্থান নিতে হবে। আমরা সেই অবস্থানের আইনগত ভিত্তি পর্যালোচনা এবং প্রক্রিয়া যাচাই-বাছাই করছি। এটি করার পরে আমরা একটা পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

তিনি বলেন, আমি মনে করি না এটার সঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা (সম্পর্কের অবনতি না চাওয়া) মহোদয় যেটা বলেছেন সেটা কনফ্লিক্টিং হবে। এখানে একটা সিচুয়েশন আমার জন্য তৈরি করা হয়েছে। আমাকে সেটার বিরুদ্ধে একটা ব্যবস্থা নিতে হবে। সেটার ব্যাপারে একটা ব্যবস্থা নিতে হবে। আমার তো চুপ করে বসে থাকার উপায় নেই।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, কোন যুক্তিতে মুস্তাফিজকে মানা করা হচ্ছে। খেলারই কোন যুক্তিতে মানা করা হলে তো কোনো ব্যাপার ছিল না। যে যুক্তিতে মানা করা হচ্ছে সে যুক্তিটা তো আসলে আমরা কোনোভাবেই গ্রহণ করতে পারি না। ফলে সেখানে আমাদের একটা প্রতিক্রিয়া দেখাতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, আইপিএল নিয়ে আইন উপদেষ্টা যেটা বলেছেন, আমরা আইনি ভিত্তিটা পর্যালোচনা করছি। এটা কোন মাধ্যমে কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সেই বিষয়টা দেখে আমরা আমাদের সিদ্ধান্তটা জানাবো।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

রেলওয়ের সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের প্রস্তাবের আইনগত ভিত্তি পর্যালোচনা করা হচ্ছে : তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশের সময় : ০১:১৩:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) সম্প্রচার বাংলাদেশে বন্ধ রাখার প্রস্তাবের আইনগত ভিত্তি পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। প্রক্রিয়া যাচাই-বাছাই করার পরে একটি পদক্ষেপ নেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (০৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ মতবিনিময়’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

সচিবালয় বিট কাভার করা সাংবাদিকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম’ (বিএসআরএফ) এ মতবিনিময়ের আয়োজন করেছে। বিএসআরএফের সভাপতি মাসউদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।

আইপিএল থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আইন উপদেষ্টা আইপিএলের সম্প্রচার বাংলাদেশে বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘বিষয়টা হচ্ছে যে—খেলাটা যদি খেলার জায়গায় আমরা রাখতে পারতাম খুবই ভালো হতো। কিন্তু আনফরচুনেটলি (দুর্ভাগ্যবশত) খেলাটার মধ্যে রাজনীতি নিয়ে আসা হয়েছে।’

তিনি বলেন, অন্যান্য সময় আমরা কী বলি? দুইটা দেশের মধ্যে যদি রাজনৈতিক টেনশন থাকেও—যে কোনো দুটি দেশ, আমি বাংলাদেশ-ভারত, বাংলাদেশ-নেপাল এরকম বলছি না, ভারত-নেপাল, ভারত-মালদ্বীপ—এটা বলছি না, বলছি দুইটা দেশের মধ্যে যদি রাজনৈতিক টেনশন থাকেও—বলে যে সাংস্কৃতিক এক্সচেঞ্জ, খেলাধুলা, এগুলোর মাধ্যমে এটা কমিয়ে আনা যায়। এখানে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো কাজটা (মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া) করা হয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশের একজন খেলোয়াড়কে নিশ্চিত করার পরে, তাকে রাজনৈতিক যুক্তিতে…যেটা আমরা পত্র-পত্রিকায় দেখেছি, বলা হচ্ছে যে, ওকে নেওয়া হবে না। তো এরকম সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে আমাদের দেশের জনগণেরও তো মনে একটা আঘাত লাগে। তাদের মধ্যেও একটা প্রতিক্রিয়া হয়।

সৈয়দা রিজওয়ান হাসান বলেন, ‘সেরকম জায়গায় আমাদেরও একটা অবস্থান নিতে হবে। আমরা সেই অবস্থানের আইনগত ভিত্তি পর্যালোচনা এবং প্রক্রিয়া যাচাই-বাছাই করছি। এটি করার পরে আমরা একটা পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

তিনি বলেন, আমি মনে করি না এটার সঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা (সম্পর্কের অবনতি না চাওয়া) মহোদয় যেটা বলেছেন সেটা কনফ্লিক্টিং হবে। এখানে একটা সিচুয়েশন আমার জন্য তৈরি করা হয়েছে। আমাকে সেটার বিরুদ্ধে একটা ব্যবস্থা নিতে হবে। সেটার ব্যাপারে একটা ব্যবস্থা নিতে হবে। আমার তো চুপ করে বসে থাকার উপায় নেই।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, কোন যুক্তিতে মুস্তাফিজকে মানা করা হচ্ছে। খেলারই কোন যুক্তিতে মানা করা হলে তো কোনো ব্যাপার ছিল না। যে যুক্তিতে মানা করা হচ্ছে সে যুক্তিটা তো আসলে আমরা কোনোভাবেই গ্রহণ করতে পারি না। ফলে সেখানে আমাদের একটা প্রতিক্রিয়া দেখাতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, আইপিএল নিয়ে আইন উপদেষ্টা যেটা বলেছেন, আমরা আইনি ভিত্তিটা পর্যালোচনা করছি। এটা কোন মাধ্যমে কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সেই বিষয়টা দেখে আমরা আমাদের সিদ্ধান্তটা জানাবো।