Dhaka শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ১৩ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভিমানে আন্তজার্তিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন মুনরো

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১২:৫২:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মে ২০২৪
  • ১৮৮ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক : 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার জন্য মুখিয়ে ছিলেন। কিন্তু ১৫ সদস্যের স্কোয়াডে রাখা হয়নি। যে কারণে এক রকম অভিমান করেই আন্তজার্তিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন কলিন মুনরো ।

২০২০ সালের পর নিউজিল্যান্ডের হয়ে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেননি মুনরো। তবে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তার সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন নির্বাচকরা, এমনটিই জানিয়েছেন কিউই কোচ গ্যারি স্টিড। তবে শেষ পর্যন্ত আর দলে জায়গা হয়নি মুনরোর।

অবসর নিয়ে মুনরো বলেন, ব্ল্যাক ক্যাপসের হয়ে খেলা সবসময়ই আমার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় অর্জন। আমি সেই জার্সিটি পরার চেয়ে অন্য কোনো কিছুতে বেশি গর্বিত বোধ করিনি। এটি সত্য যে, আমি সব ফরম্যাটে ১২৩ বার এটি করতে পেরেছি। তা নিয়ে আমি সর্বদা অবিশ্বাস্যভাবে গর্বিত হবো।

তিনি আর বলেন, ‘যদিও আমার শেষ ম্যাচের পর বেশ অনেকটা সময় চলে গেছে। তবে আমি কখনোই আশা ছাড়িনি। আমি মনে করেছি, ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ফর্মে এসে জাতীয় ফিরতে পারবো। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ব্ল্যাক ক্যাপস স্কোয়াড ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সেই দরজা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করার উপযুক্ত সময় এসেছে।’

নিউজিল্যান্ডের জার্সিতে ১২৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন মুনরো। যার মধ্যে একটি টেস্ট, ৫৭টি ওয়ানডে ও ৬৫ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ আছে। টি-টোয়েন্টিতে ৩টি সেঞ্চুরি আছে মুনরোর। এর মধ্যে ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৭ বলে সেঞ্চরি হাঁকান তিনি।

মুনরো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩ হাজারেরও বেশি রান করেছেন। তবে গত চার বছর ধরে নিউজিল্যান্ড দলে দেখা যায়নি তাঁকে। শেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ২০২০ সালে, ভারতের বিপক্ষে। এই বাঁহাতি ব্যাটারের কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে অভিষেক হয় ২০১২ সালের ডিসেম্বরে। এক মাস প্রথম ওয়ানডে খেলতে নামেন। ক্যারিয়ারে মাত্র একটি টেস্ট খেলেছেন মুনরো। ২০১৩ সালের জানুয়ারির পর থেকে তাঁকে মনে করা হতো সাদা বলের স্পেশালিস্ট।

নিউজিল্যান্ড ব্যাটারদের মধ্যে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরি আছে শুধু মুনরো। খেলেছেন ২০১৪ ও ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ২০১৯ বিশ্বকাপে রানার্সআপ হওয়া কিউই দলেরও সদস্য ছিলেন তিনি। এই অভিজ্ঞ ব্যাটার বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে খেলে বেড়িয়েছেন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট।

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য মুনরোর নিউজিল্যান্ড দলে জায়গা না হলেও তাঁকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী স্কট উইনিঙ্ক, আক্রমণাত্মক ও ৩৬০ ডিগ্রি ব্যাটিং স্টাইলকে বেছে নেওয়াদের মধ্যে কলিন শুরুর দিকের একজন, যা এখন সারা বিশ্বে গৃহীত হয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

অভিমানে আন্তজার্তিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন মুনরো

প্রকাশের সময় : ১২:৫২:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মে ২০২৪

স্পোর্টস ডেস্ক : 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার জন্য মুখিয়ে ছিলেন। কিন্তু ১৫ সদস্যের স্কোয়াডে রাখা হয়নি। যে কারণে এক রকম অভিমান করেই আন্তজার্তিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন কলিন মুনরো ।

২০২০ সালের পর নিউজিল্যান্ডের হয়ে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেননি মুনরো। তবে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তার সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন নির্বাচকরা, এমনটিই জানিয়েছেন কিউই কোচ গ্যারি স্টিড। তবে শেষ পর্যন্ত আর দলে জায়গা হয়নি মুনরোর।

অবসর নিয়ে মুনরো বলেন, ব্ল্যাক ক্যাপসের হয়ে খেলা সবসময়ই আমার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় অর্জন। আমি সেই জার্সিটি পরার চেয়ে অন্য কোনো কিছুতে বেশি গর্বিত বোধ করিনি। এটি সত্য যে, আমি সব ফরম্যাটে ১২৩ বার এটি করতে পেরেছি। তা নিয়ে আমি সর্বদা অবিশ্বাস্যভাবে গর্বিত হবো।

তিনি আর বলেন, ‘যদিও আমার শেষ ম্যাচের পর বেশ অনেকটা সময় চলে গেছে। তবে আমি কখনোই আশা ছাড়িনি। আমি মনে করেছি, ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ফর্মে এসে জাতীয় ফিরতে পারবো। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ব্ল্যাক ক্যাপস স্কোয়াড ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সেই দরজা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করার উপযুক্ত সময় এসেছে।’

নিউজিল্যান্ডের জার্সিতে ১২৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন মুনরো। যার মধ্যে একটি টেস্ট, ৫৭টি ওয়ানডে ও ৬৫ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ আছে। টি-টোয়েন্টিতে ৩টি সেঞ্চুরি আছে মুনরোর। এর মধ্যে ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৭ বলে সেঞ্চরি হাঁকান তিনি।

মুনরো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৩ হাজারেরও বেশি রান করেছেন। তবে গত চার বছর ধরে নিউজিল্যান্ড দলে দেখা যায়নি তাঁকে। শেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ২০২০ সালে, ভারতের বিপক্ষে। এই বাঁহাতি ব্যাটারের কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে অভিষেক হয় ২০১২ সালের ডিসেম্বরে। এক মাস প্রথম ওয়ানডে খেলতে নামেন। ক্যারিয়ারে মাত্র একটি টেস্ট খেলেছেন মুনরো। ২০১৩ সালের জানুয়ারির পর থেকে তাঁকে মনে করা হতো সাদা বলের স্পেশালিস্ট।

নিউজিল্যান্ড ব্যাটারদের মধ্যে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরি আছে শুধু মুনরো। খেলেছেন ২০১৪ ও ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ২০১৯ বিশ্বকাপে রানার্সআপ হওয়া কিউই দলেরও সদস্য ছিলেন তিনি। এই অভিজ্ঞ ব্যাটার বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে খেলে বেড়িয়েছেন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট।

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য মুনরোর নিউজিল্যান্ড দলে জায়গা না হলেও তাঁকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী স্কট উইনিঙ্ক, আক্রমণাত্মক ও ৩৬০ ডিগ্রি ব্যাটিং স্টাইলকে বেছে নেওয়াদের মধ্যে কলিন শুরুর দিকের একজন, যা এখন সারা বিশ্বে গৃহীত হয়েছে।