Dhaka রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০২:২১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৯৮ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক : 

মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বটা দারুণ গেল বাংলাদেশের। প্রথম ৫ ম্যাচ শেষেই মূল পর্বের টিকিট হাতে পেয়েছিল নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। নিয়মরক্ষার শেষ দুই ম্যাচেও জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল বাংলাদেশ। বাছাইপর্বে নিজেদের সপ্তম এবং শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছে দলটি। এই জয়ে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) নেপালের মুলপানি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ডাচ মেয়েরা ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১০২ রান তোলে। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ স্পিনার নাহিদা আক্তার। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২০ বল এবং ৭ উইকেট হাতে রেখে টাইগ্রেসরা গন্তব্যে পৌঁছে যায়। হাফসেঞ্চুরি করেছেন অধিনায়ক জ্যোতি।

রান তাড়ায় শুরুতে হোঁচট খেলেও বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত জিতে যায় অনায়াসেই। ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা। ১১৬ ম্যাচের ক্যারিয়ারে প্রথমবার টানা দুই ম্যাচে ফিফটি করলেন তিনি।

সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচ জিতেই টানা সপ্তমবার বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। পরের দুটি ম্যাচও জিতে বাছাই শেষ করল তারা দাপটে।

সাতে সাত জয়ে প্রত্যাশিত সাফল্যে বাছাই শেষ বাংলাদেশের

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা ডাচ মেয়েরা বিপদে পড়ে যায় দ্রুতই। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই দুটি উইকেট শিকার করেন নাহিদা। টানা দুই ম্যাচে প্রথম ওভারে উইকেট শিকারের পর এবার আর পারেননি মারুফা আক্তার। তবে নিজের দ্বিতীয় ওভারেই পেয়ে যান তিনি সাফল্য।

পাওয়ার প্লেতে দলকে উইকেট এনে দেন লেগ স্পিনার রাবেয়া খানও। এরপর নাহিদা যখন তৃতীয় উইকেটও নিলেন, ২৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে তখন মহাবিপদে ডাচরা। বিপর্যয়ে লড়াই করে দলকে উদ্ধার করেন রবিনে রাইকা ও সানিয়া খুরানা। ষষ্ঠ উইকেটে ৭৮ রানের জুটিতে দলকে একশ পার করান তারা। তবে দলকে বড় স্কোর এনে দেওয়ার জোর ছিল না তাদের ব্যাটে। ৪৫ বলে ৩৯ রানে আউট হন রাইকা, ৬ চারে ৩৭ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন সানিয়া।

রান তাড়ায় চ্যালেঞ্জ খুব একটা না থাকলেও বাংলাদেশ প্রথম দুই ওভারেই হারায় দুই ওপেনার দিলারা আক্তার ও জুয়ায়রিয়া ফেরদৌসকে। ডাচদের দারুণ বোলিংয়ে খুব একটা সুবিধে করতে পারেননি তিনে নামা শারমিন আক্তার। ১৩ রান করতে ২৮ বল খেলেন তিনি।

তবে খুব একটা ভাবনায় পড়তে হয়নি দলকে। নিগার সুলতানা ও ফর্মে থাকা সোবহানা মোস্তারি ঝড়ো জুটিতে দলকে জিতিয়ে দেন ২০ বল বাকি রেখে। ৩৭ বলে ৫৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন দুজন। ৭ চারে ৪৪ বলে ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন নিগার। প্রথম ৫ ম্যাচে ব্যর্থতার পর ফিফটি করলেন তিনি টানা দুই ম্যাচে। বাউন্ডারিতে ম্যাচ শেষ করা সোবহানা অপরাজিত থাকেন ২৩ বলে ৩৩ রানে। আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৬২ রান নিয়ে আসর শেষ করলেন সোবহানা। ৭ ইনিংসে তার ব্যাটিং গড় ৫২.৪০, স্ট্রাইক রেট ১৪৫.৫৫।

উইমেন’স টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর আগামী জুন-জুলাইয়ে হবে ইংল্যান্ডে।

 

আবহাওয়া

ব্যক্তিতান্ত্রিক শাসনের অবসানের জন্যই জুলাই সনদ : আলী রীয়াজ

অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ

প্রকাশের সময় : ০২:২১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক : 

মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বটা দারুণ গেল বাংলাদেশের। প্রথম ৫ ম্যাচ শেষেই মূল পর্বের টিকিট হাতে পেয়েছিল নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। নিয়মরক্ষার শেষ দুই ম্যাচেও জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল বাংলাদেশ। বাছাইপর্বে নিজেদের সপ্তম এবং শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছে দলটি। এই জয়ে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) নেপালের মুলপানি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ডাচ মেয়েরা ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১০২ রান তোলে। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ স্পিনার নাহিদা আক্তার। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২০ বল এবং ৭ উইকেট হাতে রেখে টাইগ্রেসরা গন্তব্যে পৌঁছে যায়। হাফসেঞ্চুরি করেছেন অধিনায়ক জ্যোতি।

রান তাড়ায় শুরুতে হোঁচট খেলেও বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত জিতে যায় অনায়াসেই। ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা। ১১৬ ম্যাচের ক্যারিয়ারে প্রথমবার টানা দুই ম্যাচে ফিফটি করলেন তিনি।

সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচ জিতেই টানা সপ্তমবার বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। পরের দুটি ম্যাচও জিতে বাছাই শেষ করল তারা দাপটে।

সাতে সাত জয়ে প্রত্যাশিত সাফল্যে বাছাই শেষ বাংলাদেশের

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা ডাচ মেয়েরা বিপদে পড়ে যায় দ্রুতই। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই দুটি উইকেট শিকার করেন নাহিদা। টানা দুই ম্যাচে প্রথম ওভারে উইকেট শিকারের পর এবার আর পারেননি মারুফা আক্তার। তবে নিজের দ্বিতীয় ওভারেই পেয়ে যান তিনি সাফল্য।

পাওয়ার প্লেতে দলকে উইকেট এনে দেন লেগ স্পিনার রাবেয়া খানও। এরপর নাহিদা যখন তৃতীয় উইকেটও নিলেন, ২৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে তখন মহাবিপদে ডাচরা। বিপর্যয়ে লড়াই করে দলকে উদ্ধার করেন রবিনে রাইকা ও সানিয়া খুরানা। ষষ্ঠ উইকেটে ৭৮ রানের জুটিতে দলকে একশ পার করান তারা। তবে দলকে বড় স্কোর এনে দেওয়ার জোর ছিল না তাদের ব্যাটে। ৪৫ বলে ৩৯ রানে আউট হন রাইকা, ৬ চারে ৩৭ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন সানিয়া।

রান তাড়ায় চ্যালেঞ্জ খুব একটা না থাকলেও বাংলাদেশ প্রথম দুই ওভারেই হারায় দুই ওপেনার দিলারা আক্তার ও জুয়ায়রিয়া ফেরদৌসকে। ডাচদের দারুণ বোলিংয়ে খুব একটা সুবিধে করতে পারেননি তিনে নামা শারমিন আক্তার। ১৩ রান করতে ২৮ বল খেলেন তিনি।

তবে খুব একটা ভাবনায় পড়তে হয়নি দলকে। নিগার সুলতানা ও ফর্মে থাকা সোবহানা মোস্তারি ঝড়ো জুটিতে দলকে জিতিয়ে দেন ২০ বল বাকি রেখে। ৩৭ বলে ৫৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন দুজন। ৭ চারে ৪৪ বলে ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন নিগার। প্রথম ৫ ম্যাচে ব্যর্থতার পর ফিফটি করলেন তিনি টানা দুই ম্যাচে। বাউন্ডারিতে ম্যাচ শেষ করা সোবহানা অপরাজিত থাকেন ২৩ বলে ৩৩ রানে। আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৬২ রান নিয়ে আসর শেষ করলেন সোবহানা। ৭ ইনিংসে তার ব্যাটিং গড় ৫২.৪০, স্ট্রাইক রেট ১৪৫.৫৫।

উইমেন’স টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর আগামী জুন-জুলাইয়ে হবে ইংল্যান্ডে।