Dhaka মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চালু হচ্ছে না শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল : বিমান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের ‘আপনার সরকারের আমলে কি তৃতীয় টার্মিনাল চালু করা সম্ভব হবে’ প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, না, পারব না।

তিনি বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল চালুর জন্য আমাদের প্রাণান্ত চেষ্টা ছিল। আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে জাপানি ভাইস মিনিস্টারের সঙ্গে বৈঠক করেছি। আমরা দর-কষাকষি করেছি। সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমাদের প্রচেষ্টা সম্ভবত সফল হয়নি।

উপদেষ্টা আরও বলেন, টার্মিনাল চালুর জন্য যে পদ্ধতিগত প্রয়োজনগুলো রয়েছে এবং পরবর্তী কর্মকাণ্ডের জন্য যেসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা দরকার, সেগুলো সচল করার কাজে আমরা বর্তমানে নিয়োজিত আছি। পরবর্তী সরকার এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

এদিকে অধ্যাদেশের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, অধ্যাদেশ দুটি বাস্তবায়িত হলে বিমানের টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে যে প্রতারণা, হয়রানি হয়ে থাকে সেটি বন্ধ হবে। এসব প্রতারণা বন্ধে অধ্যাদেশে কঠোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিমান টিকিটের ক্ষেত্রে অসাধু এজেন্সির মাধ্যমে যে সিন্ডিকেশন তৈরি হয়েছিল নতুন এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে সেটি বন্ধ হবে এবং যাত্রীদের হয়রানি বন্ধ হবে।

বিমানের ডাইভারশন নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, তীব্র কুয়াশায় বিমানের ফ্লাইট পাশের দেশে ডাইভারশন এড়াতে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি থ্রিতে উন্নীত করা হবে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সচিব নাসরীন জাহান বলেন, বেসামরিক বিমান চলাচল সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৬ বাস্তবায়িত হলে বিমান পরিবহন ও ট্রাভেল ব্যবসায় শৃঙ্খলা, আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হবে। বিমানের টিকিটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে।

অভিবাসী কর্মী ও সাধারণ যাত্রীদের অধিকার সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাতে সুশাসন ও আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত হবে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণী ভালোবেসে বিয়ে করলেন বাংলাদেশিকে

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চালু হচ্ছে না শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল : বিমান উপদেষ্টা

প্রকাশের সময় : ০৪:৪০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের ‘আপনার সরকারের আমলে কি তৃতীয় টার্মিনাল চালু করা সম্ভব হবে’ প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, না, পারব না।

তিনি বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল চালুর জন্য আমাদের প্রাণান্ত চেষ্টা ছিল। আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে জাপানি ভাইস মিনিস্টারের সঙ্গে বৈঠক করেছি। আমরা দর-কষাকষি করেছি। সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমাদের প্রচেষ্টা সম্ভবত সফল হয়নি।

উপদেষ্টা আরও বলেন, টার্মিনাল চালুর জন্য যে পদ্ধতিগত প্রয়োজনগুলো রয়েছে এবং পরবর্তী কর্মকাণ্ডের জন্য যেসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা দরকার, সেগুলো সচল করার কাজে আমরা বর্তমানে নিয়োজিত আছি। পরবর্তী সরকার এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

এদিকে অধ্যাদেশের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, অধ্যাদেশ দুটি বাস্তবায়িত হলে বিমানের টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে যে প্রতারণা, হয়রানি হয়ে থাকে সেটি বন্ধ হবে। এসব প্রতারণা বন্ধে অধ্যাদেশে কঠোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিমান টিকিটের ক্ষেত্রে অসাধু এজেন্সির মাধ্যমে যে সিন্ডিকেশন তৈরি হয়েছিল নতুন এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে সেটি বন্ধ হবে এবং যাত্রীদের হয়রানি বন্ধ হবে।

বিমানের ডাইভারশন নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, তীব্র কুয়াশায় বিমানের ফ্লাইট পাশের দেশে ডাইভারশন এড়াতে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি থ্রিতে উন্নীত করা হবে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সচিব নাসরীন জাহান বলেন, বেসামরিক বিমান চলাচল সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৬ বাস্তবায়িত হলে বিমান পরিবহন ও ট্রাভেল ব্যবসায় শৃঙ্খলা, আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হবে। বিমানের টিকিটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে।

অভিবাসী কর্মী ও সাধারণ যাত্রীদের অধিকার সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাতে সুশাসন ও আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত হবে।