শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৫৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৮ লাখ টাকা দামের হীরা-মণি-মুক্তাখচিত মাস্ক নেপোলির সবাই ম্যারাডোনা ইউরোপা লীগের ম্যাচে! লাখ লাখ ভক্তের চোখের জলে চিরনিদ্রায় শায়িত ম্যারাডোনা চলে গেলেন বরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব আলী যাকের আর্জেন্টিনার পতাকায় ১০ নম্বর জার্সিতে ম্যারাডেনা মাস্কের দামেও দ্বিতীয় ঢেউ মৃত্যুর আগে ম্যারাডোনা ১২ ঘণ্টা চিকিৎসা পাননি ম্যারাডোনার ময়নাতদন্ত রিপোর্টে যা আছে নেহা-রোহনের বিয়ের পর প্রথম ঘনিষ্ঠ ভিডিও প্রকাশ বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়োগ বিধি গেজেট প্রকাশ ম্যারাডোনার শেষ কথা: ‘মে সিয়েন্তো মাল’ জন্মদিনে বন্ধুকে ডেকে নিয়ে নদীতে ফেলে হত্যা! কিংবদন্তি ম্যারাডোনার ইতিহাস সেরা ৫ গোল! (ভিডিও) ম্যারাডোনার ক্রীড়া নৈপুণ্য খেলোয়াদের অনুপ্রেরণা জোগাবে করোনা আক্রান্ত বাবার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাননি মেয়ে হাসপাতাল ছাড়তে চেয়েছিলেন ম্যারাডোনা কমলাপুর রেল স্টেশন ভবন ভাঙার সিদ্ধান্ত ফুটবলের কিংবদন্তি ম্যারাডোনা মারা গেছেন বিএনপি সরকারকে নামাতে গিয়ে রশি ছিঁড়ে পড়ে গেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভ্রান্তিকর টুইট!

সেলসম্যান থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক গোল্ডেন মনির

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০
সেলসম্যান থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক গোল্ডেন মনির
র‌্যাবের হাতে আটক গোল্ডেন মনির

নব্বই দশকে রাজধানীর গাউছিয়া মার্কেটে একটি কাপড়ের দোকানে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতেন মনির। সেখান থেকে অপরাধ জগতে পা রেখে হয়ে উঠেন স্বর্ণ ব্যবসায়ী, ভূমিদস্যু। এক পর্যায়ে স্বর্ণ চোরাকারবারির সঙ্গে জড়িয়ে হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে ‘গোল্ডেন মনির’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।

শনিবার (২১ নভেম্বর) মেরুল বাড্ডা ডিআইটি প্রজেক্টের ১১ নম্বর সড়কে গোল্ডেন মনিরের বাসায় অভিযান শেষে এক ব্রিফিং-এ র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ এসব তথ্য জানান।

তার উত্থান সম্পর্কে বলতে গিয়ে র‌্যাবের পরিচালক বলেন, গ্রেফতারকৃত গোল্ডেন মনির নব্বই দশকে গাউছিয়ায় একটি কাপড়ের দোকানে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতেন। এরপর ক্রোকারিজের ব্যবসা, লাগেজ ব্যবসা-অর্থাৎ ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে মালামাল দেশে আনতেন।

একপর্যায়ে স্বর্ণ চোরাকারবারের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন। বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ তিনি বিদেশ থেকে নিয়ে এসেছেন। তার স্বর্ণ চোরাকারবারির রুট ছিল ঢাকা-সিঙ্গাপুর-ভারত। এই সকল দেশ থেকে ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ বাংলাদেশে আমদানি করতেন। যার ফলশ্রুতিতে তার নাম হয় গোল্ডেন মনির।

স্বর্ণ চোরাকারবারির জন্য তার বিরুদ্ধে ২০০৭ সালে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয় বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন : হাজী সেলিমের দখলে ‘অগ্রণী ব্যাংকের’ সেই জমি

স্বর্ণ চোরাচালানের পাশাপাশি একপর্যায়ে গোল্ডেন মনির ভূমিদস্যুতে পরিণত হন। এ প্রসঙ্গে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, গোল্ডেন মনিরের আরেকটি পরিচয় আছে তিনি ভূমিদস্যু। রাজউকের কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে বিপুল পরিমাণ অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছেন।

ঢাকার শহরের ডিআইটি প্রোজেক্ট, বাড্ডা, নিকুঞ্জ, উত্তরা এবং কেরানিগঞ্জে তার ২০০’ র বেশি প্লট আছে বলে আমরা জানত পেরেছি। ইতিমধ্যে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ৩০টি প্লট রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন। রাজউকের কাগজপত্র জাল-জালিয়াতি করে এবং স্বর্ণ চোরাকারবারি করে তার মোট সম্পদের পরিমাণ এক হাজার ৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে।

মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনিরকে গ্রেফতারের পর তার হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, কয়েক রাউন্ড গুলি, বিদেশি মদ এবং প্রায় ৯ লাখ টাকার বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়। তার বাসা থেকে আট কেজি স্বর্ণ, নগদ এক কোটি ৯ লাখ টাকা, ৫টি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আবহাওয়া

%d bloggers like this:
%d bloggers like this: