রবিবার, ১৬ মে ২০২১, ১২:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ভয়ংকর আগ্নেয়গিরির ওপর ‘পিৎজা’ তৈরি উৎসব (ভিডিও) রাজধানীতে ঝড়ো হাওয়াসহ স্বস্তির বৃষ্টি প্রেম নিয়ে মুখ খুললেন বলিউডের ঐশ্বরিয়া আল-জাজিরা প্রতিবেদক বললেন ‘দুই সেকেন্ডেই সব শেষ’ লকডাউনে দূরপাল্লার বাস চলার অনুমতি দেয়নি সরকার আল-জাজিরার কার্যালয় মাটিতে মিশিয়ে দিল ইসরায়েল ঈদের দ্বিতীয় দিনেও অন্যরকম এক ঢাকা ঈদেও বেতন-ভাতা পাননি বিপুল সংখ্যক রেলকর্মী ঈদের পরের দিনেও হাতিরঝিলে উপচেপড়া ভিড় ঈদের নামাজে ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় বিশেষ মোনাজাত ফরিদপুরে প্রত্যয় এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ ইংল্যান্ডে খরগোশ যুগলের ‘বিলাসবহুল বিয়ে’ রিকশাওয়ালাকে মারধরের আলোচিত সেই ভিডিও রেলপথ দিয়ে ভারত থেকে দেড় হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি ফিলিস্তিনিদের বাঁচাতে সালাহর আকুতি বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে করোনার দ্বিতীয় ডোজের ‘নিশ্চয়তা’ মেলেনি এখনও ঈদে কন্টেইনিয়ারে পণ্য নয় যাচ্ছে মানুষ ছিন্নমূলের পাশে দাঁড়াতে বিত্তবানের আহবান ড. সাজ্জাদের আকাশপথে বহির্বিশ্বের দরজা বাংলাদেশীদের জন্য প্রায় বন্ধ যাত্রীদের চাপ ও অতিরিক্ত গরমে ফেরিতেই মারা গেলেন ৫ জন

শাহজাদপুরে যমুনার ভাঙ্গন রোধে  বাঁশের ছটকা নির্মাণ

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
আপডেট : বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১
শাহজাদপুরে যমুনার ভাঙ্গন রোধে  বাঁশের ছটকা নির্মাণ
শাহজাদপুরে যমুনার ভাঙ্গন রোধে  বাঁশের ছটকা নির্মাণ

 শাহজাদপুর উপজেলার যমুনা ভাঙ্গন কবলিত জালালপুর, ঘাটাবাড়ি, পাকুরতলা ও আরকান্দি গ্রামবাসী নিজস্ব অর্থায়নে ভাঙ্গন রোধে বাঁশের ছটকা নির্মাণ করেছে। এলাকাবাসী চাঁদা তুলে বাঁশ কিনে নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবার আশায় এ বাঁশের ছটকা দিয়েছেন।

আরকান্দি থেকে শুরু করে পাকুরতলা আবাসন প্রকল্প পর্যন্ত ৬ স্থানে ছটকা দেওয়া হয়েছে। যমুনা নদীর প্রবল স্রোতকে কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণ করতে বাঁশের ছটকা দিয়ে নদী ভাঙ্গন রোধ করার চেষ্টা করছে এলাকাবাসী।

যমুনার তীব্র ভাঙ্গণে বিস্তৃর্ণ ফসলি জমিসহ ৮ থেকে ১০টি গ্রাম অনেক আগেই যমুনা গর্ভে বিলিন হয়েছে। ভাঙ্গণ রোধে এখনই কার্যকর স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়া না হলে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের এসব গ্রাম মানচিত্র থেকে বিলীন হয়ে যাবে বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন নদী তীরবর্তী মানুষ জন।

এসব এলাকায় যমুনার আগ্রাসনে অনেক মানুষ ভিটে মাটি হারিয়ে উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়ে মানবেতর দিনযাপন করছে।

ঘাটাবাড়ি গ্রামের ফারুক হোসেন জানান, ‘আমরা রোহিঙ্গাদের চাইতেও খারাপ অবস্থায় আছি, রোহিঙ্গাদের তো সরকার থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে কিন্তু আমাদের সেই অবস্থাও নেই।

আমাদের সব শেষ; বাপ দাদার ভিটে-মাটি কিছুই আর অবশিষ্ট রইলো না।’ জালালপুর গ্রামের হাজী আজমত আলী মুন্সি, মহির উদ্দিন, দানেজ ব্যাপারী ও পাকুরতলা গ্রামের সমাজ সেবক কামরুজ্জামান কামরুল জানান বলেন, ‘সরকারের কাছে একটাই চাওয়া যেন খুব দ্রুত ভাঙ্গণ রোধে এখানে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

যমুনা তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প একনেকে পাস হতে বিলম্ব হওয়ায় গ্রামের মানুষদের একত্রিত করে বাঁশের ছটকা দিয়ে তীব্র ভাঙ্গন রোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আবহাওয়া

%d bloggers like this:
%d bloggers like this: