শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০২৪, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন

ভোটকেন্দ্রে অবাঞ্ছিত ব্যক্তি প্রবেশ করতে পারবে না: ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : রবিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩
ভোটকেন্দ্রে অবাঞ্ছিত ব্যক্তি প্রবেশ করতে পারবে না: ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণকালে যেন কোনো অবাঞ্ছিত ব্যক্তি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে না পারে তা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান নির্বাচনী এজেন্ট ও পোলিং এজেন্টদের পরিপত্র-১২ এর মাধ্যমে এ তথ্য জানান।

এতে বলা হয়, যেসব ব্যক্তি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেন অর্থাৎ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করার যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা সম্বলিত একটি পোস্টার ইসির থেকে প্রণয়ন করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক কপি মুদ্রণ করা হয়েছে। ওই মুদ্রিত পোস্টারের প্রয়োজনীয় সংখ্যক কপি প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, কতিপয় ক্ষেত্রে কমিশনের নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করার ক্ষমতা: গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৯১ এর বিধান অনুসারে কমিশনের কাছে যদি প্রতীয়মান হয় যে, নির্বাচনে বল প্রয়োগ, ভীতি-প্রদর্শন এবং চাপ সৃষ্টিসহ বিভিন্ন বিরাজমান অপকর্মের কারণে ন্যায়ানুগ ও নিরপেক্ষভাবে এবং আইন অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করতে সক্ষম হওয়া যাবে না, সেক্ষেত্রে যেকোনো ভোটকেন্দ্র বা ক্ষেত্রমতো সম্পূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় যেকোন পর্যায়ে ভোটগ্রহণ বন্ধ করতে পারবে কমিশন।

তা ছাড়া, কোনো ব্যালট পেপার নাকচ বা গ্রহণসহ, এ অধ্যাদেশ বা বিধিমালার অধীন কোনো কর্মকর্তার দেওয়া কোনো আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারবে কমিশন। নির্বাচন নিরপেক্ষ, ন্যায়ানুগ ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা নিশ্চিতকরণের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান ও ক্ষমতা প্রয়োগসহ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য আদেশও দিতে পারবে।

ইসি জানায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের যাবতীয় কার্যাবলী সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে দুর্নীতিমূলক অপরাধ, বেআইনি আচরণ, উৎকোচ গ্রহণ, মিথ্যা পরিচয়ে ভোটদান, অপহরণ, বল প্রয়োগ কিংবা সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, অস্ত্র বা শক্তি প্রদর্শন বা প্রয়োগ, ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের চারশ গজের মধ্যে ক্যানভাস, উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, অবৈধ হস্তক্ষেপ, ভোটগ্রহণের গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ ইত্যাদি নিয়মবহির্ভূত কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোনো মহল বা ব্যক্তি দ্বারা যাতে এসব অপরাধমূলক কার্যকলাপ কোনোক্রমেই সংঘটিত না হয়, সে উদ্দেশে নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সার্বিক সহযোগিতা দিতে হবে।

এছাড়া এ বিষয়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদেরও অনুরোধ জানাবেন নির্বাচনী এজেন্ট ও পোলিং এজেন্টরা। সেইসঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৩ থেকে অনুচ্ছেদ ৮৭ পর্যন্ত বর্ণিত অপরাধমূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে যেসব শাস্তির বিধান ও করণীয় রয়েছে তাও বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করবেন।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আবহাওয়া