Dhaka শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতে পালাতে চেয়েছিল গণধর্ষণের আসামি সাইফুর

  • সিলেট প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ১১:৩৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ২৪৮ জন দেখেছেন

গ্রেফতারের আগে ও পরে সাইফুর

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সাইফুর সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সীমান্ত হয়ে ভারত পালাতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোর ছয়টার দিকে সুনামগঞ্জের ছাতক খেয়াঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছাতক সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বিল্লাল হোসেন বলেন, ছবিতে সাইফুরের দাঁড়ি ছিলো। তিনি দাঁড়ি কেটে মুখে মাস্ক লাগিয়ে খেয়াঘাটে যান। পরনে ছিলো টি-শার্ট ও প্যান্ট। ভোরে সীমান্ত এলাকায় পৌঁছান। হয়তো সীমান্ত এলাকায় গিয়ে কারো সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা ছিলো।

সাইফুরকে পালাতে কেউ সহায়তা করেছেন কিনা, তার খোঁজ করতে ছাতক ও দোয়ারাবাজারে তার আত্মীয়দের সম্পর্কে খোঁজ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান বিল্লাল হোসেন।

ছাতক থানা-পুলিশ সূত্র জানায়, উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ছাতক উপজেলার সুরমা নদীর খেয়াঘাট এলাকায় নজরদারি করছিলো।

আরও পড়ুন : ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ : সাইফুরের পর অর্জুন গ্রেফতার

সাইফুরকে ভোর ছয়টা থেকে প্রায় আধা ঘণ্টা খেয়াঘাট পার হয়ে অপেক্ষা করতে দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। কাছে যেতেই বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ হওয়া সাইফুরের ছবির সঙ্গে তার মিল পাওয়া যায়। তখন তাকে নাম জিজ্ঞেস করা হয়। এতে তিনি সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় তাকে আটক করে থানায় নেয়া হয়। থানায় তার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয় পুলিশ।

সাইফুরকে আটক করার সময় সুরমা নদীর খেয়াঘাট এলাকায় থাকা দুজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এই খেয়া পার হয়ে সীমান্তবর্তী দোয়ারাবাজার উপজেলায় যাওয়ার দুটো পথ আছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে বুগলা সড়কপথ। এই সড়কপথ বুগলা গেলে নিরাপদে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান করার সুযোগ ছিলো সাইফুরের।

সুনামগঞ্জের ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ভোর ছয়টার দিকে সাইফুরকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়া হয়। এরপর পরিচয় নিশ্চিত হয়ে সাইফুরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে ছাতক থানা থেকে তাকে সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরান থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপকমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার বলেন, ধর্ষণ মামলা ছাড়াও সাইফুরের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা আছে। দুই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আবহাওয়া

খালেদা জিয়ার এন্ডোস্কোপি সম্পন্ন, বন্ধ হয়েছে পাকস্থলির রক্তক্ষরণ

ভারতে পালাতে চেয়েছিল গণধর্ষণের আসামি সাইফুর

প্রকাশের সময় : ১১:৩৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সাইফুর সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সীমান্ত হয়ে ভারত পালাতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোর ছয়টার দিকে সুনামগঞ্জের ছাতক খেয়াঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছাতক সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বিল্লাল হোসেন বলেন, ছবিতে সাইফুরের দাঁড়ি ছিলো। তিনি দাঁড়ি কেটে মুখে মাস্ক লাগিয়ে খেয়াঘাটে যান। পরনে ছিলো টি-শার্ট ও প্যান্ট। ভোরে সীমান্ত এলাকায় পৌঁছান। হয়তো সীমান্ত এলাকায় গিয়ে কারো সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা ছিলো।

সাইফুরকে পালাতে কেউ সহায়তা করেছেন কিনা, তার খোঁজ করতে ছাতক ও দোয়ারাবাজারে তার আত্মীয়দের সম্পর্কে খোঁজ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান বিল্লাল হোসেন।

ছাতক থানা-পুলিশ সূত্র জানায়, উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ছাতক উপজেলার সুরমা নদীর খেয়াঘাট এলাকায় নজরদারি করছিলো।

আরও পড়ুন : ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ : সাইফুরের পর অর্জুন গ্রেফতার

সাইফুরকে ভোর ছয়টা থেকে প্রায় আধা ঘণ্টা খেয়াঘাট পার হয়ে অপেক্ষা করতে দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। কাছে যেতেই বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ হওয়া সাইফুরের ছবির সঙ্গে তার মিল পাওয়া যায়। তখন তাকে নাম জিজ্ঞেস করা হয়। এতে তিনি সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় তাকে আটক করে থানায় নেয়া হয়। থানায় তার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয় পুলিশ।

সাইফুরকে আটক করার সময় সুরমা নদীর খেয়াঘাট এলাকায় থাকা দুজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এই খেয়া পার হয়ে সীমান্তবর্তী দোয়ারাবাজার উপজেলায় যাওয়ার দুটো পথ আছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে বুগলা সড়কপথ। এই সড়কপথ বুগলা গেলে নিরাপদে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান করার সুযোগ ছিলো সাইফুরের।

সুনামগঞ্জের ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ভোর ছয়টার দিকে সাইফুরকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়া হয়। এরপর পরিচয় নিশ্চিত হয়ে সাইফুরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে ছাতক থানা থেকে তাকে সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরান থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপকমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার বলেন, ধর্ষণ মামলা ছাড়াও সাইফুরের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা আছে। দুই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।