Dhaka শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাট-১ আসনের ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট) সংসদীয় আসনের প্রাপ্ত ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি জাকির হোসেনের একক নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। ওই আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কপিল কৃষ্ণের করা আবেদনের শুনানির পর এ আদেশ দেন আদালত।

আদালতে কপিল কৃষ্ণের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট গাজী মোস্তাক। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট হাসানুল আলম।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ আসনে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ পান ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৯০ ভোট। তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটিতে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১৪৭টি।

ভোটের ফল প্রকাশের পর ওই আসনের কিছু কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফল নিয়ে আপত্তি তুলে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিভিন্ন দপ্তরে যান বিএনপি প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ। প্রতিকার না পেয়ে তিনি হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেন। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত আজ ভোট পুনর্গণনার আদেশ দেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয় পায় জামায়াতের প্রার্থীরা। এরমধ্যে বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে জামায়াতের শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ এবং বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল আলিম জয়ী হন। আর বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে বিএনপির শেখ ফরিদুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হন।

আবহাওয়া

এনসিপির ‘জাতীয় নারী শক্তির’ ৫৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা

বাগেরহাট-১ আসনের ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ

প্রকাশের সময় : ০৭:০৯:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট) সংসদীয় আসনের প্রাপ্ত ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি জাকির হোসেনের একক নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। ওই আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কপিল কৃষ্ণের করা আবেদনের শুনানির পর এ আদেশ দেন আদালত।

আদালতে কপিল কৃষ্ণের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট গাজী মোস্তাক। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট হাসানুল আলম।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ আসনে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ পান ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৯০ ভোট। তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটিতে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১৪৭টি।

ভোটের ফল প্রকাশের পর ওই আসনের কিছু কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফল নিয়ে আপত্তি তুলে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিভিন্ন দপ্তরে যান বিএনপি প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ। প্রতিকার না পেয়ে তিনি হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেন। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত আজ ভোট পুনর্গণনার আদেশ দেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয় পায় জামায়াতের প্রার্থীরা। এরমধ্যে বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে জামায়াতের শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ এবং বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল আলিম জয়ী হন। আর বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে বিএনপির শেখ ফরিদুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হন।