বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন

বঙ্গবন্ধু টানেলে রেস, ৫টি গাড়ি জব্দ, গ্রেফতার ২

চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
আপডেট : শুক্রবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৩
বঙ্গবন্ধু টানেলে রেস, ৫টি গাড়ি জব্দ, গ্রেফতার ২

চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : 

কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলে মধ্যরাতে কার রেসিং দেওয়া পাঁচ প্রাইভেটকার জব্দ করেছে পুলিশ। এছাড়া দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাড়িগুলো জব্দ করা হয়।

কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহির হোসেন জানান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলেও জানান তিনি।

গ্রেফতাররা হলেন- নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন আলকরণ রোডের হক ম্যানশন এলাকার মো. আনসারুল হক (৩৫) ও বাকলিয়া থানাধীন তুলাতুলি এলাকার মৃত হাজী সোলায়মান সওদাগরের ছেলে মো. এমরান উদ্দিন (২৪)। এ ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত পাঁচ জন আদালত থেকে জামিন নেন।

কর্ণফুলী নদীর পানির নিচের টানেল ব্যবহারের নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

জব্দ করা পাঁচ প্রাইভেটকার হলো- চট্টমেট্রো-গ-১২-৯০৪৩, ঢাকামেট্রো-খ-১১-৮৯৩৫, ঢাকামেট্রো-খ-১২-১৮১৪, চট্টমেট্রো-গ-১৩-৩৫৭৩ ও চট্টমেট্রো-গ-১৪-২২৫৪।

কর্ণফুলী থানার ওসি মোহাম্মদ জহির হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলে মধ্যরাতে কার রেসিং প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া পাঁচটি কার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়। নগরীর আলকরণ, ইপিজেড ও ডবলমুরিং এলাকা থেকে এই পাঁচটি গাড়ি জব্দ করা হয়। বাকি গাড়ি ধরার চেষ্টা চলছে।

জানা গেছে, গত ২৯ অক্টোবর মধ্যরাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের ভেতর কার রেসে মেতে উঠেছিল কয়েকজন। দামি স্পোর্টস কার নিয়ে বিপজ্জনক গতিতে প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠে তারা। রেসের বেশ কয়েকটি ভিডিও ৩০ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এই রেসে প্রায় ১০টি প্রাইভেটকার অংশ নেয়। গাড়িগুলো রেসিং, ওভারটেকিং ও বিপজ্জনকভাবে চালানোসহ যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

পরে ‘দ্য স্লো কিডস’ নামে একটি পেজে টানেলের ভেতর ও বাইরে রেসের ভিডিওটি আপলোড করা হয়। ভিডিওটি শেয়ার দিয়ে হলিউড সিনেমা ‘দ্যা ফাস্ট অ্যান্ড দ্য ফিউরিয়াস’র সঙ্গে তুলনা করা হয়। পরে ভিডিওটি ভাইরাল হয়।

এ ঘটনায় ১ নভেম্বর রাতে নগরীর কর্ণফুলী থানায় মামলা করেন টানেল কর্তৃপক্ষের সহকারী ম্যানেজার মো. জাহাঙ্গীর আলম। সড়ক পরিবহন আইনে মামলাটি করা হয়। মামলার এজাহারে সাত প্রাইভেটকারের নম্বর উল্লেখ করে অজ্ঞাত চালকদের আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, টানেল কর্তৃপক্ষ ও রক্ষণাবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান পরামর্শক্রমে মোটরযানের গতিসীমা ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে টানেলের প্রবেশ মুখ, ভেতরসহ বিভিন্ন দৃশ্যমান স্থানে গতিসীমার সাইনবোর্ড সাঁটানো হয়। ৭ থেকে ১০টি প্রাইভেটকার নিয়ে অজ্ঞাত চালক টানেলের সর্বোচ্চ গতিসীমা লঙ্ঘন করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আবহাওয়া