শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:৪৪ অপরাহ্ন

পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের দিন ভারতে গেল ১২ টন ইলিশ

বেনাপোল প্রতিনিধি
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের দিন ভারতে গেল ১২ টন ইলিশ
সংগৃহিত ছবি

বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পরপরই বাংলাদেশ থেকে ১২ টন ইলিশ গেল ভারতে। ভারত সরকার থেকে সোমবার দুপুরে বাংলাদেশের হিলি কাস্টমসকে বলা হয়েছে যে, সোমবার থেকে সব ধরনের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ থাকবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত।

ভারতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারের অনুমোদন পাওয়া এক হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির প্রথম চালানের ১২ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে রপ্তানি করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র এই খবর জানিয়ে বলেছে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য এই শুভেচ্ছা। ২০১২ সালে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ মাছ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। তবে এরপর বাংলাদেশ সরকার একাধিকবার ভারত সরকারকে শুভেচ্ছা উপহার স্বরূপ ইলিশ মাছ পাঠিয়েছে।

গত বছরও শারদীয় দূর্গাপুজার সময় দেওয়া হয়েছিল ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ। পদ্মার ইলিশ পেয়ে ভারতীয়রা অনেকে খুশি। পশ্চিমবঙ্গজুড়ে আগামী ২৩ অক্টোবর শুরু হচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সেরা উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।

বেনাপোল স্থলবন্দর মৎস্য কোয়ারেনটাইন পরিদর্শক আসওয়াদুল ইসলাম বলেন, ইলিশ মাছ রপ্তানি নিষিদ্ধ হলেও দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১০ সেপ্টেম্বর এক হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দেয় সরকার। এসব ইলিশ রপ্তানির অনুমতি পেয়েছে বাংলাদেশের নয়টি প্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুন : তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের শেকড় অনেক গভীরে : প্রধানমন্ত্রী

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ১৫০ থেকে ১৭৫ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার ইলিশের প্রথম চালান ১২ মেট্রিক টন ভারতে প্রবেশ করেছে। পর্যায়ক্রমে বাকি মাছ রপ্তানি হবে।

বেনাপোলের সিএন্ডএফ এজেন্ট ‘নিলা এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি রুবাইত বলেন, এবার প্রতি কেজি ইলিশের রপ্তানি মূল্য ১০ দশমিক ৬ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রতি কেজি ৮৫৫ টাকা। ভারত ও বাংলাদেশ দুই দেশের কাস্টমস থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় ইলিশের এ চালান ছাড় করা হবে।

প্রথম চালানের দুই ট্রাকে ৬০০ বক্সে ১২ মেট্রিক টন ইলিশের রপ্তানি মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। ইলিশের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান খুলনার জাহানাবাদ সি ফুড লিমিটেড আর ভারতের আমদানিকারক কলকাতার জেকে ইন্টারন্যাশনাল।

পদ্মার ইলিশ পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের কাছে প্রিয় হলেও দেশের চাহিদা বিবেচনায় বিভিন্ন সময় তা রপ্তানি বন্ধ রাখে বাংলাদেশ সরকার। ২০১২ সালের আগে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হতো। তবে ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ায় ২০১২ সালের পর ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় সরকার। গত বছরও দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাঁচশ’ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছিল সরকার। এরপর থেকে আবারো বন্ধ থাকে ইলিশ রপ্তানি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আবহাওয়া

%d bloggers like this:
%d bloggers like this: