মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১০:৩২ অপরাহ্ন

নেতৃত্ব হারানোর ভয়ে তারেক জিয়া নির্বাচন চায় না : কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৩
নেতৃত্ব হারানোর ভয়ে তারেক জিয়া নির্বাচন চায় না : কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বিএনপি নির্বাচনে জিতলেও নেতৃত্ব হারানোর ভয়ে সাজাপ্রাপ্ত তারেক জিয়া কিছুতেই নির্বাচন হোক চায় না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস উপলক্ষে সয়েল কেয়ার অ্যাওয়ার্ড ও মৃত্তিকা দিবস পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, জানুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি একটা বড় রাজনৈতিক দল। আমরা তাদের বারবার বলেছি নির্বাচনে আসেন। অনেক চেষ্টা করেছি নির্বাচনে আনার জন্য, কিন্তু তারা আসেনি। তাদের নেতা তারেক জিয়া ও খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত। তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না। কাজেই বিএনপি নির্বাচনে জিতলেও তারেক জিয়া ও খালেদা জিয়া নেতা থাকতে পারবেন না। দলের নেতৃত্ব চলে যাবে অন্যদের কাছে। তাই নেতৃত্ব হারানোর ভয়ে তারেক জিয়া কিছুতেই চায় না নির্বাচন হোক, বিএনপি নির্বাচনে আসুক।

তিনি বলেন, দেশে শান্তি দরকার, উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দরকার। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হচ্ছে। এটিকে বানচাল করার জন্য আবারও সহিংসতা ও বর্বরতার পথ বেছে নিয়েছে বিএনপি। তারা ভুল পথে রয়েছে। নির্বাচন বর্জনের মাধ্যমে তারা আরও জনবিচ্ছিন্ন দলে পরিণত হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্জিত সাফল্যের কথা শুনে সবাই অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যেখানে যাই, কথা বলি–সারা পৃথিবীর মানুষই আমাদের প্রশংসা করে। সবাই আমাদের কথা শুনতে চায়। বাংলাদেশের সফলতার কথা যখন আমরা বলি, সবাই অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে। তারা বিস্ময় প্রকাশ করে, কীভাবে বাংলাদেশের এত সাফল্য!

বাংলাদেশের সাফল্যের কথা শুনে সবাই অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, যেখানে যাই, কথা বলি সারা পৃথিবীর মানুষই আমাদের প্রশংসা করে। সবাই আমাদের কথা শুনতে চায়। বাংলাদেশের সফলতার কথা যখন আমরা বলি, সবাই অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে। তারা বিস্ময় প্রকাশ করে, কীভাবে বাংলাদেশের এত সাফল্য।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষির অবদান জিডিপিতে কমে যাচ্ছে। কিন্তু কৃষির গুরুত্ব তো কমছে না। কারণ, কৃষির মাধ্যমে ১৭ কোটি মানুষের চাহিদা আমাদের মেটাতে হবে। জমি কমছে, পানির উৎসও কমে যাচ্ছে। বর্ধিত জনসংখ্যার খাবার জোগাড় করা কত বড় চ্যালেঞ্জ। মানুষ আগে খাবার পেত না, ভাত পেত না। দেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছে বারবার। ২০০৪-০৫ সালে উত্তরাঞ্চলে আমি দেখেছি মানুষের হাড্ডিসার চেহারা। এখন মানুষ দুই বেলা খেতে পারে। ২০১৮ সালে নির্বাচনে পুষ্টিজাতীয় খাবারের বিষয়ে জোর দিয়েছিলাম। পুষ্টিকর খাবার শাকসবজি, ফলমূল, দুধ, মাছ, মাংস। এর মূল সোর্স কৃষি। এর পেছনে রয়েছে মাটি। মাটি হচ্ছে জীবন। মাটির ব্যবস্থাপনা কত গুরুত্বপূর্ণ এটা বুঝতে হবে। মাটিকে গুরুত্ব দিয়ে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে হবে।

কৃষিসচিব ওয়াহিদা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার। অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশ্বমৃত্তিকা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সয়েল অলিম্পিয়াডের বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আবহাওয়া