মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন

ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ : সাইফুরের পর অর্জুন গ্রেফতার

সিলেট প্রতিনিধি
আপডেট : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ : সাইফুরের পর অর্জুন গ্রেফতার
গ্রেফতারকৃত সাইফুর ও অর্জুন

অবশেষে গ্রেফতার হয়েছে ধর্ষণ মামলার প্রধান দুই আসামী। শনিবার সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় সারাদেশে তোলপাড় শুরু হয়। আর তাতে নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। শনিবার ঘটনা জানাজানির পর থেকেই সতর্ক ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ধর্ষকরা যাতে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য সীমান্তে কড়া নজরদারি রাখা হয়।

মামলায় প্রধান আসামি ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমানের পর গ্রেফতার হয়েছে আরেক আসামি অর্জুন লস্কর।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার মনতলা নামক এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে সিলেট জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

এর আগে সকালে সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সাইফুরের বাড়ি বালাগঞ্জ ও অর্জুনের বাড়ি জকিগঞ্জে।

সূত্র জানায়, ধর্ষনের ঘটনার পর অর্জুন পালিয়ে যায় হবিগঞ্জের মাধবপুর। সেখানে মনতলা এলাকায় তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছিল সে। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অর্জুনের অবস্থান শনাক্ত করে রোববার সকালে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কলেজে বেড়াতে যাওয়া দম্পতিকে ধরে নিয়ে আসে ছাত্রলীগের ৫/৬ জন নেতাকর্মী। পরে তারা স্বামীকে আটকে রেখে নববধূকে গণধর্ষণ করে।

আরও পড়ুন : ধর্ষণে কলঙ্কিত সিলেট এমসি কলেজ ক্যাম্পাস

রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে, তবে এর আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। এরপর মধ্যরাতে কলেজ ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে বেশ কিছু অস্ত্র জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় শনিবার সকালে ৯ জনকে আসামি করে ওই তরুণীর স্বামী বাদী হয়ে নগর পুলিশের শাহপরাণ থানায় মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- এমসি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ও ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫), সাইফুর রহমান (২৮), রবিউল ইসলাম (২৫), অর্জুন লস্কর (২৫) ও তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮)। এদের মধ্যে অর্জুন ও তারেক (২৮) বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী বলে জানা গেছে।

আসামিদের মধ্যে সাইফুরের বাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের দিরাইয়ে, মাছুমের কানাইঘাটে, অর্জুনের জকিগঞ্জে, রনির হবিগঞ্জে এবং তারেকের বাড়ি সুনামগঞ্জে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আবহাওয়া

%d bloggers like this:
%d bloggers like this: