বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন চূড়ান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে : ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : শনিবার, ৩ জুন, ২০২৩
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন চূড়ান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে : ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বিএনপির গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন চূড়ান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এজন্য আন্দোলন চালিয়ে যেতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৩ জুন) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার জীবনভিত্তিক বইমেলা ও চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা করুল বলেন, বিএনপির গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন চূড়ান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই আন্দোলনে এরই মধ্যে আমাদের ১৭ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই আন্দোলনে চালিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, আজ বিশ্বের কাছে এই সরকারের ভোট চুরির কাজ প্রমাণিত হয়েছে। আজ বিশ্ববাসীও তাদের বিশ্বাস করতে চাচ্ছে না। বিশ্ব জানে এই সরকারের অধীনে কখনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। এটা আশা করা যায় না। তাই তাদেরকে পতন করিয়ে আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করার যে চূড়ান্ত লক্ষ্য, তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির আন্দোলন সংগ্রাম সফল হয়েছে। তার প্রমাণ আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে যে নির্বাচন হয়েছে, তাতে সরকার সম্পূর্ণভাবে জালিয়াতি ও চুরি করেছে। সেখানে জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করা হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে এদের কেউ বিশ্বাস করতে চাচ্ছে না। বিশ্ব জানে এই সরকারের অধীনে কখনও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। এটা আশা করা যায় না। তাই এদের পতন ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করার যে চূড়ান্ত লক্ষ্য তা বাস্তবায়ন করতে হবে। গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য, আমাদের অধিকার ও ভোটাধিকারের জন্য একটা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই।

নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের এই আন্দোলন চূড়ান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে আমাদের ১৭ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে চালিয়ে যেতে হবে।

জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কথা বলে শেষ করে যাবে না। আওয়ামী লীগ জিয়াউর রহমানকে বলে অখ্যাত। ঠিকই কিন্তু এই অখ্যাত মানুষটাই দেশের মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছেন। যখন জাতি দিশেহারা, তখন তিনি সাহসী কণ্ঠে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার ডাক দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, আমি মেজর জিয়া বলছি। আই রিভোলট।

দলের প্রতিষ্ঠাতার কর্মময় জীবনের কথা তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমান সত্যিই দেশের অগ্রদূত হয়ে জন্ম নিয়েছিলেন। যখনই ক্রান্তিকাল দেখা দিয়েছে তখনই তিনি মানুষের হয়ে বেরিয়ে এসেছেন। জাতি যখন দিক হারিয়ে ফেলেছিলেন, তখনই তিনি মানুষের জন্য অগ্রনায়ক হয়ে এসেছেন। সেটা হলো পঁচাত্তর পরবর্তী সময়। যখন দেশের মধ্যে অরাজকতা চলছিল। সেদিন এই অখ্যাত মানুষটিই দায়িত্ব নিয়ে তিনি দেশের মানুষকে নিয়ে কাজে নেমে পড়েছিলেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে এবং বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্সের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, মোহাম্মদ শাহজাহান ওমর বীরউত্তম, প্রফেসর ড. তাজমেরী এস এ ইসলাম প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আবহাওয়া