মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
১৯ জুন থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা সংবাদ সম্মেলনে দ্রুত বিচার চাইলেন পরীমনি চলে গেলেন বিশ্বের ‘সবচেয়ে বড় পরিবার’ প্রধান আদালত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুললে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিয়ে করেছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ক্ষমাপ্রার্থনা লে. জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ নতুন সেনাপ্রধান দৃষ্টিনন্দন ৫০ মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারে সামরিক প্লেন বিধ্বস্তে ১২ জন নিহত চোখের পানিতে শেষ বিদায় প্রিয় মাহুতকে (ভিডিও) হ্যারি-মেগানের কন্যার জন্মে রানির শুভেচ্ছা-অভিনন্দন দৌলতদিয়ায় ৭ নং ফেরিঘাটে ভাঙন শ্রাবন্তীর সঙ্গে সংসার করতে চেয়ে আদালতের রোশন চিলমারী বন্দর নিয়ে গান গাইলেন প্রধানমন্ত্রী করোনার জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গরিবের বন্ধু: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতীয় ঋণে রেলের তিন প্রকল্প ঝুলছে এক দশক কন্যা সন্তানের বাবা মা হলেন হ্যারি মেগান সমালোচনাকে থোরাই কেয়ার করেন রাইমা গাজীপুরে শীতলক্ষ্যার মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়

ইয়াস মানে জুঁই : পরের ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘গুলাব’

যোগাযোগ ডেস্ক
আপডেট : বুধবার, ২৬ মে, ২০২১
ইয়াস মানে জুঁই : পরের ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘গুলাব’
ফাইল ছবি

নতুন নতুন নাম নিয়ে বার বার আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড়। আর এসব নাম দিয়ে থাকে বিভিন্ন দেশ। এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নামটি দিয়েছে ওমান। সোমবারই নিম্নচাপ ‘ইয়াস’ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এই নামটি দিয়েছে ওমান।
জানা গেছে, এই পার্শি শব্দের অর্থ সুগন্ধী ফুলের গাছ। যেটা জুঁইয়ের কাছাকাছি। ‘ইয়াস’ শব্দের অন্য একটি অর্থের কথাও বলা হচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, এর মানে দুঃখ বা হতাশা। ইয়াসের পরে যে ঝড়টি আসবে তার নাম দেয়া হবে ‘গুলাব’। এই নামটি ঠিক করে রেখেছে পাকিস্তান।

এর আগে বাংলার অনেক এলাকা লণ্ডভণ্ড করে দেয়া ‘আমপান’ ঝড়ের নামকরণ করেছিল থাইল্যান্ড। আবার ‘ফণী’ ঝড়ের নাম দিয়েছিল বাংলাদেশ। ‘বুলবুল’ নাম ছিল পাকিস্তানের দেয়া। একটা সময়ে বিভিন্ন সংখ্যা দিয়ে ঝড়কে চিহ্নিত করা হত। কিন্তু তাতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে অসুবিধা হতো। মানুষের কাছে দুর্বোধ্য হয়ে থাকত সেই সব সংখ্যা।

নামকরণের মাধ্যমে প্রতিটি ঝড়কে আলাদা ভাবে চিহ্নিত করার পাশাপাশি তার সবিস্তার তথ্য নথিভুক্ত করাও সহজ হয়। ঝড়ের নামকরণের রেওয়াজ খুব বেশি দিনেরও নয়। ২০০৪ সালে শুরু হয়। সেই বছর তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের প্রথম নামকরণও করেছিল বাংলাদেশ। নাম ছিল ‘অনিল’।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লুএমও) আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে। ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার অন্তর্ভুক্ত আটটি দেশ। দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং ওমান। এই প্যানেলকে বলা হয় ইকনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড দা প্যাসিফিক (এএসসিএপি)। ভারতের তরফেও অনেক ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। সেগুলো হলো অগ্নি, আকাশ, বিজলি, জল, লহর, মেঘ, সাগর।

নামকরণের ক্ষেত্রে কিছু নিয়মও মানা হয়। যেমন, এমন নামই দেয়া হয় যা ছোট হবে এবং সাধারণ মানুষ সহজে উচ্চারণ করতে পারে। যে দেশ নাম রাখবে তার সাথে ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে। খেয়াল রাখতে হয় ওই শব্দ যেন কাউকে আঘাত না করে। কোনো রকম ব্যঙ্গ, বিদ্রুপ বা আতঙ্ক ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে এমন নামও রাখা যায় না। কোনো ধর্মীয় সম্পর্ক বা ব্যক্তি নামও ব্যবহার করা হয় না।

সূত্র : আনন্দবাজার


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আবহাওয়া

%d bloggers like this:
%d bloggers like this: