বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৩৪ অপরাহ্ন

ইসমাইল চৌধুরী সস্রাটের স্ত্রীর স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০
ইসমাইল চৌধুরী সস্রাটের স্ত্রীর স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ
সম্রাটের স্ত্রী শারমিন চৌধুরী, ফেসবুক থেকে নেয়া ছবি

যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের স্ত্রী শারমিন চৌধুরী ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকা মহানগর বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েশ মঙ্গলবার এই নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম আসামি সম্রাটের ডিওএইচএস ও কাকরাইলের দুটি ফ্ল্যাট ক্রোকের নির্দেশনা চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক ওই ফ্ল্যাট দুটি ক্রোকের আদেশ দেন। এর আগে সম্রাটের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত।

দুদকের পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বলেন, আজ (মঙ্গলবার) ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। এজন্য তার বিরুদ্ধে গত বছরের ১২ নভেম্বর মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার তদন্তকালে জানা যায়, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের স্ত্রী শারমিন চৌধুরী তার নামে থাকা মহাখালীর ডিওএইচএস এলাকার ১ হাজার ৩১৭ বর্গফুটের ফ্ল্যাট এবং তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ও মোস্তফা জামানের নামে কাকরাইলে ৪ হাজার ২৫৯ বর্গফুটের স্থাবর সম্পত্তি অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন।

গত বছর ১২ নভেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এর উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আনা হয়। গত ১৭ নভেম্বরে এ মামলায় সম্রাটকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।

ঢাকার মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় বিভিন্ন স্পোর্টস ক্লাবের আড়ালে ক্যাসিনো ব্যবসা চালানোর অভিযোগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে অভিযান শুরু করে র‌্যাব।

এর অংশ হিসেবে প্রথম দিনই গ্রেপ্তার করা হয় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে, দুই দিন পর গ্রেপ্তার করা হয় যুবলীগ নেতা ও ‘টেন্ডার কিং’খ্যাত জিকে শামীমকে।

অভিযানের প্রথম দিন থেকেই আলোচনায় আসে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের নাম। এরপর গত ২৩ সেপ্টেম্বর অন্যদের সঙ্গে সম্রাটের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশের পাশাপাশি ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়।

গত ৬ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।সম্রাটের স্ত্রী শারমিন চৌধুরীর স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

আরও পড়ুন : জালিয়াতির মামলায় সাবরিনা-আরিফুলসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ক্যাসিনো-কাণ্ডে গ্রেপ্তার যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের স্ত্রী শারমিন চৌধুরী ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকা মহানগর বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েশ মঙ্গলবার এই নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম আসামি সম্রাটের ডিওএইচএস ও কাকরাইলের দুটি ফ্ল্যাট ক্রোকের নির্দেশনা চেয়ে আদালতে আবেদন করেন।

শুনানি শেষে বিচারক ওই ফ্ল্যাট দুটি ক্রোকের আদেশ দেন। এর আগে সম্রাটের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত।

দুদকের পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।’

দুদকের আবেদনে বলা হয়, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। এজন্য তার বিরুদ্ধে গত বছরের ১২ নভেম্বর মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার তদন্তকালে জানা যায়, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের স্ত্রী শারমিন চৌধুরী তার নামে থাকা মহাখালীর ডিওএইচএস এলাকার ১ হাজার ৩১৭ বর্গফুটের ফ্ল্যাট এবং তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ও মোস্তফা জামানের নামে কাকরাইলে ৪ হাজার ২৫৯ বর্গফুটের স্থাবর সম্পত্তি অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন।

গত বছর ১২ নভেম্বর দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এর উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আনা হয়। গত ১৭ নভেম্বরে এ মামলায় সম্রাটকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।

প্রসঙ্গত, ঢাকার মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় বিভিন্ন স্পোর্টস ক্লাবের আড়ালে ক্যাসিনো ব্যবসা চালানোর অভিযোগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। এর অংশ হিসেবে প্রথম দিনই গ্রেপ্তার করা হয় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে, দুই দিন পর গ্রেপ্তার করা হয় যুবলীগ নেতা ও ‘টেন্ডার কিং’খ্যাত জিকে শামীমকে।

অভিযানের প্রথম দিন থেকেই আলোচনায় আসে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের নাম। এরপর গত ২৩ সেপ্টেম্বর অন্যদের সঙ্গে সম্রাটের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশের পাশাপাশি ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়। গত ৬ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আবহাওয়া

%d bloggers like this:
%d bloggers like this: