বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৯৯৯-এ কল করবেন যেসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের অবস্থা সংকটাপন্ন ব্যয়বহুল মহাসড়কগুলো টেকসই হচ্ছে না যে কারণে…. আদমদীঘিতে খাল খননে অনিয়ম দুর্নীতি ৫৬.৯৪% গড় অগ্রগতি মেট্রো রেল প্রকল্পে রেলে ১২ হাজার লোক নিয়োগে শিগগিরই বিজ্ঞপ্তি বেলুনের মধ্যে ঢুকে চকলেট সাজে প্রিয়াঙ্কা ড্যাশ-৮ এর ‘আকাশ তরী’এখন ঢাকায় সব খাতে উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে দীর্ঘদিন সরকারে থাকায় সবার জন্য ঘর এবং বিদ্যুত মুজিববর্ষের মধ্যেই পানি নেই নদ-নদীর বুকে! ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে টোল ১ জুলাই থেকে এমপি পাপুলের লক্ষ্মীপুর-২ আসন শূন্য ঘোষণা ৬ ঘণ্টায় ১২ লাখ লাইক সানির যে ছবিতে বলিউড তারকারা প্রিয়াঙ্কাকে ভালো চোখে দেখতেন না! বিএনপি জামায়াত রেল ব্যবস্থাপনাকে ধ্বংস করে দিয়েছে ৪৪ কেজির বাঘাইড় মাছের দাম ৬০ হাজার টাকা! আরেক নবাবের আগমন পতৌদি পরিবারে চলন্ত অবস্থায় ভেঙে পড়ল বিমানের জলন্ত ইঞ্জিন ভাষা শহীদদের স্মরণে লাখো মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

আ’লীগ নেতার ফসলি জমিতে পুকুর খনন ও মাটি বিক্রি চলছে 

ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
আপডেট : বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
আ'লীগ নেতার ফসলি জমিতে পুকুর খনন ও মাটি বিক্রি চলছে 
ফসলি জমিতে পুকুর খনন ও মাটি বিক্রি চলছে 

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে ক্ষমতাসীন সেই আওয়ামীলীগ নেতা তার ফসলি জমির মাটি বিক্রি অব্যাহত রেখেছেন বিভিন্ন ইটভাটায়।
ফরিদপুর জেলা পরিষদের সদস্য ও বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাফর সিদ্দিকী আইন না মেনে বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের হাটুভাঙ্গা মীরেরচর মাঠের তার মালিকানাধীন ২ একর ১৯ শতাংশ  ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে দীঘি খনন করছেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ ঘটনাস্থলে তহশিলদার পাঠিয়ে ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা বন্ধের নির্দেশ দেন। কিন্তু প্রভাবশালী ওই আ’লীগ নেতা তা মানছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, দুই দিন বন্ধ থাকার পর আবার মাটি কাটা শুরু হয়েছে।
এ ব্যাপারে জাফর সিদ্দিকী বলেন, আমরা ভাটা মালিকরা জমির শ্রেণি পরিবর্তন করার জন্য ডিসি স্যারের নিকট আবেদন করেছিলাম। ডিসি স্যার ওই আবেদন বোয়ালমারী এসি ল্যাণ্ডের নিকট পাঠিয়েছেন। তিনি কি রিপোর্ট দিয়েছেন তা আমি জানি না।
তবে ইউএনও স্যারের মৌখিক অনুমতিতে মাটি কাটছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ বলেন, আমার মৌখিক অনুমতির ব্যাপারে জাফর সিদ্দিকী যা বলেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি মাটি কাটার কোন মৌখিক অনুমতি দেই নাই।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারিয়া হক বলেন, আমি আজ (বুধবার) সরেজমিনে ঘটনাস্থলে যাব। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিয়ম বহির্ভূতভাবে ফসলি জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা হচ্ছে। খননকৃত ওই দীঘির চারপাশেই ফসলি জমি। এর ফলে খননকৃত মাটি আনা নেয়ার কাজে নিয়োজিত ট্রাকগুলো চলাচলের  ফলে একপাশের বিস্তীর্ণ ফসলি জমিও নষ্ট হয়েছে।
প্রতি ট্রাক মাটি ৯শ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিদিন এ মাটি টানার কাজে ৭/৮ টি ট্রাক নিয়োজিত। নিজের ইটের ভাটায়ও ওই মাটি নিচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ

আবহাওয়া

%d bloggers like this:
%d bloggers like this: