Dhaka শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবশেষে সংক্রমণের শঙ্কায় খুলছে না তাজমহল

  • প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০৭:১৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০
  • ৩১০ জন দেখেছেন

করোনা সংক্রমণের হার বাড়ার কারণে আজ সোমবার ভারতের তাজমহল খুলে দেয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত খুলছে না।
করোনা পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে এমন সম্ভাবনায় রবিবার রাতে এ সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। ভারত করোনা আক্রান্তের সংখ্যার দিক দিয়ে রাশিয়াকে টপকে গেছে।

এর আগে দিনে ৫ হাজার দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবে, এমন শর্তে খুলে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। পরে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, সব দিক বিবেচনায় তাজমহল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। তাজমহলের পাশাপাশি আগ্রার অন্যান্য পর্যটন স্থানগুলোও বন্ধ রাখা হচ্ছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, তাজমহল খুলে দিলে আশপাশের হোটেল-মোটেলও খুলে দিতে হবে। সেক্ষেত্রে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে ৮০ হাজার পর্যটক তাজমহল দেখতে আসে।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ভারতে কঠোর লকডাউন জারি হয়েছিল ২৩শে মার্চ। বেশ কয়েক দফা লকডাউন চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে কিছু ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষ ভাবে নিয়মকানুন শিথিল করা হয়।

যদিও এখনও স্কুল কলেজ সিনেমাহল বন্ধই রাখা হয়েছে। বন্ধ যাত্রীবাহী ট্রেনও।

আবহাওয়া

অবশেষে সংক্রমণের শঙ্কায় খুলছে না তাজমহল

প্রকাশের সময় : ০৭:১৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২০

করোনা সংক্রমণের হার বাড়ার কারণে আজ সোমবার ভারতের তাজমহল খুলে দেয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত খুলছে না।
করোনা পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে এমন সম্ভাবনায় রবিবার রাতে এ সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। ভারত করোনা আক্রান্তের সংখ্যার দিক দিয়ে রাশিয়াকে টপকে গেছে।

এর আগে দিনে ৫ হাজার দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবে, এমন শর্তে খুলে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। পরে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, সব দিক বিবেচনায় তাজমহল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। তাজমহলের পাশাপাশি আগ্রার অন্যান্য পর্যটন স্থানগুলোও বন্ধ রাখা হচ্ছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, তাজমহল খুলে দিলে আশপাশের হোটেল-মোটেলও খুলে দিতে হবে। সেক্ষেত্রে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে ৮০ হাজার পর্যটক তাজমহল দেখতে আসে।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ভারতে কঠোর লকডাউন জারি হয়েছিল ২৩শে মার্চ। বেশ কয়েক দফা লকডাউন চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে কিছু ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষ ভাবে নিয়মকানুন শিথিল করা হয়।

যদিও এখনও স্কুল কলেজ সিনেমাহল বন্ধই রাখা হয়েছে। বন্ধ যাত্রীবাহী ট্রেনও।